Turkey

রাখে হরি মারে কে! তুরস্কের ভূমিকম্পের ২৪৮ ঘণ্টা পরে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার কিশোরী

জানা গিয়েছে, ১৭ বছরের মেয়েটি সুস্থই রয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৩, ১৮:৫৭

options
link
রাখে হরি মারে কে! তুরস্কের ভূমিকম্পের ২৪৮ ঘণ্টা পরে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার কিশোরী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভূমিকম্পে (Earthquake) বিপর্যস্ত তুরস্ক (Turkey) এখন কার্যতই মৃত্যুপুরী। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪১ হাজার। এই পরিস্থিতিতে বিপর্যয়ের ২৪৮ ঘণ্টা পরে ধ্বংসস্তূপ থেকে এক ১৭ বছরের কিশোরীকে উদ্ধার করল উদ্ধারকারী দল। দীর্ঘ সময় আটকে থেকেও সে কী করে প্রাণে বাঁচল ভেবে বিস্মিত সকলে। জানা গিয়েছে, ওই কিশোরী এখন দিব্যি সুস্থ রয়েছে। মৃতের স্তূপের মধ্যে এক জীবিত প্রাণকে উদ্ধার করতে পেরে উচ্ছ্বসিত উদ্ধারকারীরা।

Advertisement

এক উদ্ধারকারী আলি আকদোগান এই সম্পর্কে বলতে গিয়ে জানাচ্ছে, ”আমরা গত এক সপ্তাহ ধরে এই বিল্ডিংগুলির আশপাশে সন্ধান চালিয়েছি। আশা, যদি কোনও শব্দ পাওয়া যায়। এই অবস্থায় একটি জীবিত বিড়ালের সন্ধান পেলেও আনন্দ হয়।” কেমন আছে ওই কিশোরী? জানা যাচ্ছে, সে সুস্থই রয়েছে। চোখের পাতা খোলা-বন্ধ করতে পারছে। মেয়েটির কাকা কাঁদতে কাঁদতে উদ্ধারকারীদের একে একে জড়িয়ে ধরছিলেন ভাইঝিকে ফিরে পেয়ে। আর বলছিলেন, ”আমরা আপনাদের কখনওই ভুলব না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘প্রতিশ্রুতি নয়, প্রতিজ্ঞায় আস্থা রাখুন’, মেঘালয়ের জনসভায় প্রত্যয়ী অভিষেক]

উল্লেখ্য, গত ৬ ফেব্রুয়ারি হওয়া ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৮। এরপর বেশ কয়েকটি আফটার শকেরও মুখোমুখি হয় তুরস্ক। যার জেরে কার্যতই বিপর্যস্ত সেখানকার জনজীবন। এখনও বহু ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আসছে কাতর মানুষের অসহায় আর্তি! এদিকে প্রাণে বেঁচে গেলেও রাতারাতি সর্বস্ব হারিয়ে ফেলা গৃহহীন মানুষরা পড়েছেন চরম আতান্তরে। প্রবল শৈত্য ও খিদের আগুনে জ্বলতে থাকা সেই মানুষদের যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকায় সন্তুষ্ট নন অনেকেই। তাঁদের দাবি, গৃহহীন মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত সেইভাবে বাড়াচ্ছে না সরকার। যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: লালফৌজকে জোর টক্কর, চিনা আগ্রাসন রুখতে মোদির তিন ‘মাস্টারস্ট্রোক’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.