Nirav Modi

প্রত্যার্পণ রুখতে শেষ চাল খারিজ আদালতে, আর রেহাই নেই, শিগগির সিবিআই হেফাজতে নীরব মোদি!

এবার ভারতে ফেরা আটকাতে প্রত্যার্পণ মামলাটিকে নতুন করে খোলার আবেদন জনিয়েছিলেন তিনি। যদিও সেই আবেদন করেছে বিচারপতিদের বেঞ্চ। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এবার সময়ের অপেক্ষা। খুব শিগগির নীরব মোদিকে দেশে ফেরানো হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৬, ১৪:২৪

options
link
প্রত্যার্পণ রুখতে শেষ চাল খারিজ আদালতে, আর রেহাই নেই, শিগগির সিবিআই হেফাজতে নীরব মোদি!
শুনানি চলাকালীন একাধিক যুক্তি দিয়ে প্রত্যার্পণ মামলাটিকে পুনরায় খোলার আবেদন জানান নীরব মোদি।

আর রেহাই নেই। এবারে দেশে ফিরতেই হবে পিএনবি-সহ ভারতের একাধিক ব্যাংকে জালিয়াতি করে বিদেশে পালানো নীরব মোদিকে। ক’দিন আগেই লন্ডনের হাইকোর্টে পলাতক হীরা ব্যবসায়ী বাহানা দেন, তাঁর জন্য ভারতে ফেরা ‘ঝুঁকির হবে’। ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি জিজ্ঞাসাবাদের সময় শারীরিক ও মানসিক ‘নির্যাতন’ চালাতে পারে। এবার ভারতে ফেরা আটকাতে প্রত্যার্পণ মামলাটিকে নতুন করে খোলার আবেদন জনিয়েছিলেন তিনি। যদিও সেই আবেদন করেছে বিচারপতিদের বেঞ্চ। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এবার সময়ের অপেক্ষা। খুব শিগগির নীরব মোদিকে দেশে ফেরানো হবে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, আদালতে শুনানি চলাকালীন একাধিক যুক্তি দিয়ে প্রত্যার্পণ মামলাটিকে পুনরায় খোলার আবেদন জানান নীরব মোদির (Nirav Modi) আইনজীবী। যদিও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের তরফে নতুন করে ওই মামলা শুনানি প্রয়োজন নেই বলে যুক্তি দেওয়া হয়। দু’পক্ষের বক্তব্য শুনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষেই সায় দেয় বিচারপতিদের বেঞ্চ। এবং পলাতক হীরা ব্যবসায়ীর আবেদন খারিজ করে হাই কোর্ট।

Advertisement

উল্লেখ্য, পিএনবি-সহ ভারতের একাধিক ব্যাংকে জালিয়াতির পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন নীরব মোদি। একইভাবে পালিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর আত্মীয় মেহুল চোকসিও। এরপর ২০১৯ সালের ১৪ মার্চ লন্ডনের একটি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে গিয়ে গ্রেপ্তার হন নীরব মোদি। প্রায় বছরখানেক আগেই আদালতে তিনি জানান, ”আমার সমস্ত সম্পত্তি ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। আইনজীবীর ফি দেওয়ারও সামর্থ্য নেই।” সেই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেও দাবি করতে দেখা যায় তাঁকে।

Advertisement

এদিকে ক্রমশ কোণঠাসা হচ্ছেন নীরব। কিছুদিন আগেই তাঁর একটি ফ্ল্যাট বিক্রির অনুমতি দিয়েছে আদালত। এবার আরও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি। তবে নীরব মোদি লন্ডনে থেকেই বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁর সম্পত্তি দ্রুত বিক্রির প্রক্রিয়ায় বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে নীরবের প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে কেন্দ্র।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.