Tulsi Gabbard

মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা তুলসি গ্যাবার্ডের! নেপথ্যে ট্রাম্পের ‘চোখরাঙানি’?

আগামী ৩০ জুন থেকে আর ওই পদে থাকছেন না ওই মার্কিন রাজনীতিবিদ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ০৯:৪৮

options
link
মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা তুলসি গ্যাবার্ডের! নেপথ্যে ট্রাম্পের ‘চোখরাঙানি’?
ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নারীবিদ্বেষী’ হওয়ার অভিযোগ নতুন নয়।

ইস্তফা দিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড। কারণ হিসেবে জানিয়েছেন তাঁর স্বামীর অসুস্থতার কথা। বিবিসি সূত্রে জানা যাচ্ছে, তুলসি তাঁর ইস্তফাপত্রে জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী হাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত। আগামী দিনে বড়সড় লড়াই রয়েছে। এই অবস্থায় স্বামীর পাশে থাকতেই তাঁর এহেন সিদ্ধান্ত। কিন্তু তিনি এমন কথা বললেও নেপথ্যে অন্য কারণ রয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নারীবিদ্বেষী’ হওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাঁর ক্যাবিনেটের দুই সিনিয়র মহিলা সদস্য বরখাস্ত করে দিয়েছেন তিনি। আর তখনই গুঞ্জন ছড়িয়েছিল একই আচরণ করা হতে পারে তুলসি গ্যাবার্ড ও ক্যারোলিম লেভিটের সঙ্গেও। ট্রাম্পকে প্রকাশ্যেই তুলসির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা হয়েছে। তিনি জানিয়েছিলেন, ইরান সম্পর্কে জানতে তাঁর নিজস্ব সূত্রই যথেষ্ট। গোয়েন্দা রিপোর্টের তিনি তোয়াক্কা করেন না। আর এরপরই তুলসির ইস্তফায় অনেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার করে নিচ্ছেন।

Advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নারীবিদ্বেষী’ হওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাঁর ক্যাবিনেটের দুই সিনিয়র মহিলা সদস্য বরখাস্ত করে দিয়েছেন তিনি। আর তখনই গুঞ্জন ছড়িয়েছিল একই আচরণ করা হতে পারে তুলসি গ্যাবার্ডের সঙ্গেও।

Advertisement

যদিও ট্রাম্প নিজে তুলসি সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। এক সোশাল মিডিয়া পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ‘গ্যাবার্ড অসাধারণ কাজ করেছেন এবং আমরা তাঁর অভাব অনুভব করব।’ তবে এই ধরনের প্রশংসা যে আসলে বিষয়টিকে আড়ালে রাখারই চেষ্টা, মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। তুলসির স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন গোয়েন্দা বিভাগের মুখ্য সহকারী কর্তা অ্যারন লিকাস। সেকথা ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন। তবে এহেন পরিস্থিতিতে তুলসির প্রতি ট্রাম্পের ‘রক্তচক্ষু’ই চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অথচ তুলসির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক ছিল খুবই ভালো। দ্বিতীয়বার মসনদে ফেরার আগে ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের একজন বিশ্বস্ত সমর্থক হিসেবে দেখা গিয়েছিল তুলসিকে। সেই ‘সমর্থনের পুরস্কার’ও পেয়েছিলেন। ট্রাম্প শপথ নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্তা হয়ে ওঠেন। কিন্তু এবছর তাঁর গুরুত্ব রাতারাতি যেন খর্ব হতে শুরু করে। ইরানের বিরুদ্ধে হামলা থেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো বিষয়েও তিনি থেকে গিয়েছেন জনচক্ষুর আড়ালেই। এবার ইস্তফা দিলেন তুলসি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.