Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Iran

যুদ্ধের ক্ষত দ্রুত সারিয়ে সামরিক প্রস্তুতি, আমেরিকাকে শিক্ষা দিতে তৈরি ইরানের ড্রোন ফৌজ!

নতুন করে ইরানের সামরিক শক্তির বাড়বাড়ন্তের নেপথ্যে চিন ও রাশিয়ার বড় সমর্থন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। অনুমান, যুদ্ধের মাঝেও লাগাতার ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে গিয়েছে চিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ২০:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ২০:২৯

options
link
যুদ্ধের ক্ষত দ্রুত সারিয়ে সামরিক প্রস্তুতি, আমেরিকাকে শিক্ষা দিতে তৈরি ইরানের ড্রোন ফৌজ! zoom
Advertisement

যুদ্ধের ক্ষত দ্রুত সামলে সামরিক প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ইরান। মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর গত এপ্রিল থেকে ড্রোন বানানোর কাজ শুরু হয়েছে তেহরানে। নতুন করে মার্কিন হামলা হলে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত ড্রোন বাহিনীও তৈরি তাদের। একাধিক সূত্রের দাবি, অনুমানের তুলনায় অনেক বেশি গতিতে শুরু হয়েছে ইরানের সামরিক পুনরুদ্ধার। আগামী ৬ মাসের মধ্যে তারা সামরিক সক্ষমতার পূর্বাবস্থায় ফিরে আসতে পারে বলেও দাবি করা হচ্ছে।

মার্কিন সেনার এক আধিকারিক জানান, বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র তৈরিতে ইরানের সময় লাগতে পারে ঠিকই, তবে যে গতিতে ইরান এগোচ্ছে তাতে আগামী ৬ মাসের মধ্যে তারা পুরোপুরি ড্রোন সক্ষমতায় ফিরে আসতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার মিত্রদের কাছে সবচেয়ে বেশি আশঙ্কার জায়গা হয় এই ড্রোন হামলা। নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে মিসাইলের ঘাটতি তারা ড্রোনের মাধ্যমে মিটিয়ে নেবে।

Advertisement

যে গতিতে ইরান এগোচ্ছে তাতে আগামী ৬ মাসের মধ্যে তারা পুরোপুরি ড্রোন সক্ষমতায় ফিরে আসতে পারে।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ট্রাম্পের তরফে দাবি করা হয়েছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও ইরানের জবাবি হামলায় সে দাবি বারবার মিথ্যে প্রমাণ হয়েছে। এই অবস্থায় নতুন করে ইরানের সামরিক শক্তির বাড়বাড়ন্তের নেপথ্যে চিন ও রাশিয়ার বড় সমর্থন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, যুদ্ধের মাঝেও লাগাতার ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে গিয়েছে চিন। আমেরিকা হরমুজ অবরোধ করায় সরবরাহ কিছুটা কমলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। পাশাপাশি রাশিয়া থেকেই এসেছে বিপুল সাহায্য। যদিও চিন সে অভিযোগ শুরু থেকেই উড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ট্রাম্প ইরানের সামরিক সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করলেও বাস্তবে তেমনটা ঘটেনি। মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি অনুযায়ী, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনো সচল। যার অর্থ তেহরানকে একেবারে শূন্য থেকে শুরু করতে হচ্ছে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.