Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
House Republicans

ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে, হারের আশঙ্কায় ভোটাভুটি স্থগিত!

১০০ সদস্যের সেনেটে ট্রাম্পের দলের সেনেটরের সংখ্যা ৫৩ জন। ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য সংখ্যা ৪৭। যদিও রিপাবলিকান পার্টির ১০ জনের বেশি সাংসদ সরাসরি ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ১৯:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ১৯:৪১

options
link
ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে, হারের আশঙ্কায় ভোটাভুটি স্থগিত! zoom
ডেমোক্র্যাট পার্টির তরফে পেশ হওয়া প্রস্তাবে হারের আশঙ্কায় বাতিল ভোটাভুটি।
Advertisement

ইরান যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা খর্ব করতে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষে পেশ হয়েছিল প্রস্তাব। বিরোধী দল ডেমোক্র্যাট পার্টির তরফে পেশ হওয়া সেই প্রস্তাবে হারের আশঙ্কায় বাতিল করা হল ভোটাভুটি। ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির একাধিক সাংসদ বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি ভোট বাতিল করে পার্টি।

জানা যাচ্ছে, হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসে এই প্রস্তাব পেশ করেছিলেন ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রতিনিধি গ্রেগরি মিকস। যিনি বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক হাউস কমিটির সদস্য। তবে রিপাবলিকান পার্টির একাধিক সদস্য পার্লামেন্টে অনুপস্থিত থাকায় ভোটাভুটি নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। সেই দাবি মেনে নিয়ে ভোটদান স্থগিত রাখে কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার ব্যাপক সমালোচনা করেছে ডেমোক্র্যাটরা। অভিযোগ তোলা হয়েছে, ‘রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত হাউস ট্রাম্প প্রশাসনের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মতো আচরণ করছে।’ যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘রিপাবলিকানরা কাপুরুষের মতো একটি ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশনের ভোট প্রত্যাহার করেছে। ভোটাভুটি হলে এই প্রস্তাব দ্বিদলীয় সমর্থনে পাশ হত এবং প্রেসিডেন্টকে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ থামাতে বাধ্য করত।’ জানা যাচ্ছে, আগামী জুন মাসে এই নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।

Advertisement

অভিযোগ তোলা হয়েছে, ‘রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত হাউস ট্রাম্প প্রশাসনের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মতো আচরণ করছে।’

আমেরিকার সংবিধান অনুযায়ী, কোনও যুদ্ধ শুরু হলে এবং সেই যুদ্ধ জারি রাখতে হলে ৬০ দিনের মধ্যে সেনেটের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। যদিও ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে কিছুটা কারসাজি করেছিলেন ট্রাম্প। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা হলেও ২ মার্চ সেনেটকে এই বিষয়ে অবগত করা হয়। সেই হিসেবে ১ মে শেষ হচ্ছে ৬০ দিনের মেয়াদ। তবে দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে জারি রয়েছে যুদ্ধবিরতি। এই অবস্থায় নতুন করে যুদ্ধ চালাতে গেলে এর আগেই সেনেটের অনুমতি প্রয়োজন ট্রাম্পের। তবে ট্রাম্প যে সেনেটের মুখোমুখি হতে চান না সে রিপোর্ট আগেই সামনে এসেছিল। ১০০ সদস্যের সেনেটে ট্রাম্পের দলের সেনেটরের সংখ্যা ৫৩ জন। ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্য সংখ্যা ৪৭। যদিও রিপাবলিকান পার্টির ১০ জনের বেশি সাংসদ সরাসরি ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের বিরোধিতা করেছেন।

রিপোর্ট বলছে, এই অবস্থায় সেনেটে ভোটাভুটির মুখোমুখি হওয়া মানে যুদ্ধ থামানোর পথে হাঁটতে হতে পারে ট্রাম্পকে। যা কোনওভাবেই চান না মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এদিকে যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে ইরানকে যে প্রস্তাব আমেরিকা দিয়েছিল তা খারিজ হয়েছে। স্পষ্টভাবে ইরান জানিয়েছে, তাদের হাতে থাকা ইউরেনিয়াম কোনওভাবেই আমেরিকার হাতে তুলে দেওয়া হবে না। ফলে নতুন করে ইরানে হামলার সম্ভাবনা বাড়ছে। এই অবস্থায় ট্রাম্প মার্কিন কংগ্রেস থেকে যুদ্ধ চালানোর অনুমতি নেবে কিনা সেটাই এখন দেখার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.