Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Pakistan

এবার পাকিস্তানেও ‘ককরোচ পার্টি’! ভারত ছাড়িয়ে পড়শি দেশেও হু হু করে বাড়ছে সদস্য

পাকিস্তানের 'ককরোচ আওয়ামি পার্টি' নিজেদের বায়োতে স্বীকার করে নেয় ভারতের আন্দোলন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁরা এই পেজ চালু করেছে। বায়োতে লেখা হয়েছে, 'হ্যাঁ আমরা নকল করেছি। তাতে কিছু যায় আসে না। কারণ আমাদের মূলমন্ত্র একই।'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ১৭:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ১৭:৩৬

options
link
এবার পাকিস্তানেও ‘ককরোচ পার্টি’! ভারত ছাড়িয়ে পড়শি দেশেও হু হু করে বাড়ছে সদস্য zoom
কেন্দ্রকে তোপ ককরোচ পার্টির। ফাইল ছবি।
Advertisement

আরশোলা নির্মূল করা কঠিন, এরা অতিদ্রুত বংশবিস্তার করে। নিছক ব্যঙ্গের জেরে ‘ককরোচ’ নামে যে সংগঠন তৈরি হয়েছিল তার বিস্তারও ঘটছে আরশোলার প্রজননের গতিতে। ‘ককরোজ জনতা পার্টি’ ভারতে রীতিমতো সাড়া ফেলে দেওয়ার পর এবার প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে তৈরি হল একই ধাঁচের একাধিক সংগঠন। যাদের নামের সঙ্গে রয়েছে ‘ককরোজ পার্টি’।

দেশের প্রধান বিচারপতির ‘কটাক্ষমূলক’ মন্তব্যের প্রতিবাদে আত্মপ্রকাশ করা প্রতীকী রাজনৈতিক দল ককরোচ জনতা পার্টি বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারের নিরিখে বিজেপি-কংগ্রেসকে টপকে যায়। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠতা অভিজিৎ দীপক কটাক্ষ করেন, ‘বিজেপি নিজেকে বিশ্বের বৃহত্তম পার্টি হিসাবে দাবি করে। কিন্তু ওদের টপকে যেতে আমাদের মাত্র চারদিন লাগল।’ এই পোস্ট করার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, এক্স থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির অফিসিয়াল হ্যান্ডেল। ভারতে এই সংগঠনের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ হতেই পাকিস্তানে একের পর এক ককরোচ পার্টি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে সোশাল মিডিয়ায়।

Advertisement

পাক অ্যাকাউন্টের তরফে জানানো হয়েছে, এটি কোনও ব্যক্তি বা দল নয়। এই সংগঠন পাকিস্তানের প্রত্যেক জেন-জির কণ্ঠস্বর।

শুরুতে একটি পেজ রীতিমতো নজর কেড়ে নেয়, যার নাম ‘ককরোচ আওয়ামি পার্টি’। এরা নিজেদের বায়োতে স্বীকার করে নেয় ভারতের আন্দোলন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁরা এই পেজ চালু করেছে। বায়োতে লেখা হয়েছে, ‘হ্যাঁ আমরা নকল করেছি। তাতে কিছু যায় আসে না। কারণ আমাদের মূলমন্ত্র একই।’ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অ্যাকাউন্টটির ফলোয়ার্স সংখ্যা ২০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। পাক অ্যাকাউন্টের তরফে জানানো হয়েছে, এটি কোনও ব্যক্তি বা দল নয়। এই সংগঠন পাকিস্তানের প্রত্যেক জেন-জির কণ্ঠস্বর। পাকিস্তানের পার্টির লোগো অনেকটা ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির মতোই। তবে এতে রয়েছে সবুজ-সাদা ব্র্যান্ডিং।

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর একটি মন্তব্যের বিরোধিতা করেই ভারতে সূচনা হয় ককরোচ জনতা পার্টির। একটি মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি বেকার ছেলেমেয়েদের ‘আরশোলা’, ‘পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ তোলেন, বেকার ছেলেমেয়েরা যখন কিছু করতে পারে না, সাংবাদিকতা, RTI-এর মতো সমাজসেবামূলক এবং আইনের পেশায় প্রবেশ করে। বিতর্ক চরমে উঠলে বিচারপতি জানান, তাঁর মৌখিক পর্যবেক্ষণের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। যদিও তাঁর মন্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। আলোড়ন পড়ে যায় দেশে। এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে সোশাল মিডিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টির সূচনা করেন অভিজিৎ দীপক নামে বস্টন ইউনিভার্সিটির ছাত্র। একসময় আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া শাখায় কাজও করেছেন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.