US Warship

রণতরীর শৌচাগারে দীর্ঘ লাইন! যুদ্ধ লড়বে কী, ‘নিম্নচাপ’ সামলাতেই কাঁদোকাঁদো মার্কিন সেনা

US Iran War: শৌচাগার যাওয়ার জন্য কার্যত যুদ্ধ করতে হচ্ছে নৌসেনা জওয়ানদের। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে এক একজন জওয়ানকে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২৬, ১৭:১৪

options
link
রণতরীর শৌচাগারে দীর্ঘ লাইন! যুদ্ধ লড়বে কী, ‘নিম্নচাপ’ সামলাতেই কাঁদোকাঁদো মার্কিন সেনা
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।

এ যেন ‘বজ্র আটুনি ফোস্কা গেরো’। ইরানকে দুরমুশ করতে নিজেদের সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ পাঠিয়েছে আমেরিকা। কিন্তু সেই রণতরীতেই শুরু হয়েছে আরেক যুদ্ধ। প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও সেনাকে পেটের ভেতর নিয়ে ‘জেরাল্ড’ সমুদ্রে বুক বাজালেও, তার ভেতর নাজেহাল অবস্থা মার্কিন নৌ সেনার। জানা যাচ্ছে, এই রণতরীতে শৌচাগারের বর্জ্যনিষ্কাশন ব্যবস্থা গুরুতর আকার নিয়েছে। শৌচাগার যাওয়ার জন্য কার্যত যুদ্ধ করতে হচ্ছে নৌসেনা জওয়ানদের। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে এক একজন জওয়ানকে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত।

Advertisement

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনপিআর ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই জাহাজের বর্জ্যনিষ্কাশন ব্যবস্থা অত্যন্ত বেহাল। জানা যাচ্ছে, এই রণতরীতে বর্জ্য পরিষ্কার করার নালাগুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বারবার। জাহাজটির ভ্যাকুয়াম সিস্টেম এতটাই জটিল যে কোনওভাবেই তা ঠিক করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বন্দরে না ফেরা পর্যন্ত এই জাহাজের সমস্যা মেটানো সম্ভব নয়। এদিকে যুদ্ধের জেরে নিজেদের অবস্থান বদলানোও সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে ভোগান্তি চরম আকার নিয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই সোশাল মিডিয়ায় হাসির খোরাক হয়েছে মার্কিন সেনা। এই ঘটনাকে ‘টয়লেট যুদ্ধ’ বলেও কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা। যদিও মার্কিন নৌসেনার দাবি, এই সমস্যা যুদ্ধে কোনও প্রভাব ফেলবে না। তবে পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর আকার নিয়েছে যে যোদ্ধাদের মনোবল তলানিতে পৌঁছেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মার্কিন নৌসেনার দাবি, এই সমস্যা যুদ্ধে কোনও প্রভাব ফেলবে না। তবে পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর আকার নিয়েছে যে যোদ্ধাদের মনোবল তলানিতে পৌঁছেছে।

জানা যাচ্ছে, গত জুন মাস থেকে টানা সমুদ্রে অবস্থান করছে জাহাজটি। প্রথমে ভূমধ্যসাগরে অবস্থান করার পর ক্যারিবিয়ান সমুদ্র পেরিয়ে পূর্বে ইরানের নিকটবর্তী সমুদ্রে অবস্থান করছে জাহাজটি। এই যুদ্ধের জেরেই ৮ মাস ধরে টানা সমুদ্রে ঘুরে বেড়াচ্ছে জাহাজটি। এর মাঝে টয়লেট সমস্যায় নাজেহাল হয়ে যারপরনাই ক্ষুব্ধ নৌসেনা জওয়ানরা। এই রণতরীর ক্যাপ্টেন ডেভিড স্কারোসি এক চিঠিতে স্বীকার করেছেন, অভিযানের মেয়াদ দ্বিতীয় দফায় ফের বাড়ানোয় তিনি নিজেও অবাক হয়েছে। কোনওরকম যুদ্ধ না থাকলে সাধারণত সমুদ্রে এই রণতরীর মিশন থাকে ৬ মাস। প্রয়োজন মতো পরবর্তী সময়ে তা বাড়ানো হলেও এবার অনুমানের চেয়েও বেশি সময় সমুদ্রে ঘুরে বেড়াচ্ছে জাহাজটি। রক্ষনাবেক্ষণের কাজ ব্যাহত হওয়ার নেপথ্যে সেটাই মূল কারণ।

Advertisement

নৌসেনার এক আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানান, জাহাজটিতে ৬৫০টি শৌচাগারের বর্জ্য নিষ্কাশনব্যবস্থায় লাগাতার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে সমস্যা সারানোর জন্য প্রতিদিন তা সারাইয়ের জন্য সারাইকর্মীদের ডাকতে হচ্ছে। ফলে জাহাজে থাকা নৌসেনা জওয়ানদের সমস্যা গুরুতর আকার নিয়েছে। টয়লেটের লাইনে একেক জনকে দাঁড়াতে হচ্ছে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত। যা সোশাল মিডিয়ায় হাসির খোরাক করে তুলেছে মার্কিন সেনাকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন