কয়েকদিন আগে শোনা গিয়েছিল আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু চুক্তিতে রাজি হয়েছে ইরান। কিন্তু এই নিয়ে দু’দেশের কোনও চুক্তি এখনও হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে ফের ‘রক্তচক্ষু’ দেখালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তা-ই নয়, ইরানের পথে ইতিমধ্যেই রওনা দিয়েছে আমেরিকার আরও একটি যুদ্ধবিমানবাহী রণতরীও।
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে ক্যারিবীয়ান সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। সাম্প্রতিক অতীতে আমেরিকা ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক বাহিনীকে আরও সক্রিয় করেছে। এই পরিস্থিতিতে সেখানে পাঠানো হল আরও একটি যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী। প্রসঙ্গত, ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ও শক্তিশালী যুদ্ধবিমানবাহী রণতরীগুলির মধ্যে অন্যতম। এটি একসঙ্গে বহু যুদ্ধবিমান বহন ও পরিচালনা করতে সক্ষম।
বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ক্যারিবীয়ান সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। সাম্প্রতিক অতীতে আমেরিকা ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক বাহিনীকে আরও সক্রিয় করেছে।
এ প্রসঙ্গে শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের সঙ্গে যদি আমাদের চুক্তি না হয়, তাহলে আমাদের যুদ্ধবিমানবাহী রণতরীর প্রয়োজন পড়বে। কিন্তু যদি সমঝোতা হয়ে যায়, তাহলে সেটি ফিরে আসবে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প সরাসরি যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিল ইরানকে।
গত বছরের জুন মাসে ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন আমেরিকা ইরানের পরমাণু ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালায়। অভিযোগ তোলা হয়, ইরান ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে। অথচ ২০১৫ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী ৩.৬৭ শতাংশের বেশি পরিশোধন করতে পারবে না ইরান। সেখানে ইউরেনিয়ামের ৬০ শতাংশ পরিশোধনের অর্থ হল পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা। যদিও ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গত বছরের জুন মাসে ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন আমেরিকা ইরানের পরমাণু ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালায়। অভিযোগ তোলা হয়, ইরান ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে।
গত মাসেই আমেরিকার তরফে জানানো হয়েছিল, ইরান যদি তাদের মজুত ইউরেনিয়াম নষ্ট করে ফেলে তা হলে আলোচনা হতে পারে। একইসঙ্গে দূরপাল্লার মিসাইল মজুত কমানো এবং হিজবুল্লাহর মতো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের শর্তও দেওয়া হয়েছ ইরানকে। যদিও এই শর্ত ইরান মানবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেও মনে করা হচ্ছিল, ইরানে যুদ্ধের মেঘ কেটে গিয়েছে। সরকার-বিরোধী আন্দোলনে নামা আটশোর বেশি বিদ্রোহীর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেও তা রদ করেছিল তেহরান। এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছিল, এবার বোধহয় চূড়ান্ত পদক্ষেপের থেকে সরে আসবে আমেরিকা। তবে সে ভুল ভেঙে পশ্চিম এশিয়ায় বিরাট নৌবহর পাঠিয়েছে আমেরিকা। পরিস্থিতি যে পথে এগোচ্ছে তাতে ফের ভয়ংকর যুদ্ধের আশঙ্কা করছে কূটনৈতিক মহল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মধ্যরাতে গ্রেটার নয়ডায় চলন্ত এসি বাসে আগুন, ঝলসে মৃত ৯, প্রাণ বাঁচাতে ঝাঁপ বহু যাত্রীর
-
জিটি রোড ও বাসরুটে আর চলবে না টোটো! নির্দেশিকা কার্যকরে কড়া পরিবহণদপ্তর
-
পড়ুয়া-পরিকাঠামোহীন! ডিসেম্বরে আরও প্রায় ৩০০ মাদ্রাসা বন্ধ হচ্ছে বাংলায়
-
সাতসকালে কালীঘাটে সস্ত্রীক গৌতম আদানি, দুপুরে হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর, বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর