Vladimir Putin

ইউক্রেনের পর মলদোভাও দখলে চান পুতিন! বাড়ছে শঙ্কা

এক সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল দেশটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৪, ১১:১৬

options
link
ইউক্রেনের পর মলদোভাও দখলে চান পুতিন! বাড়ছে শঙ্কা
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইউক্রেনের বড় অংশ দখল করেই সন্তুষ্ট থাকতে চান না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইউরোপের একটি ছোট দেশের দিকেও চোখ আছে তাঁর। সেটি হল মলদোভা। এক সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল দেশটি। এটি দখলে নেওয়ার প্রস্তুতিও নাকি তলায় তলায় শুরু করে দিয়েছেন পুতিন। এমনই রিপোর্ট প্রকাশিতও হয়েছে পশ্চিমি এক সংবাদমাধ্যমে।

Advertisement

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সে দেশ থেকে প্রচুর মানুষ প্রাণ বাঁচাতে মলদোভায় আশ্রয় নিয়েছে। মাত্র ২৬ লাখ জনসংখ্যার পূর্ব ইউরোপের ছোট্ট দেশটি বছর কয়েক আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হওয়ার আবেদন করে। তাতেও ক্ষুব্ধ রাশিয়া। মলদোভা দেশটির ভিতরে অবশ্য একটা বড় অংশের মানুষের রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাওয়ার ব্যাপারেও সমর্থন রয়েছে। মস্কোপন্থী অঞ্চল ত্রান্সনিসত্রিয়া নিয়ে রীতিমতো দুশ্চিন্তাতেই রয়েছে দেশটির সরকার। যেখানে প্রায় দেড় হাজার রুশ সেনা ঘাঁটিও গেড়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের অন্যতম গরিব দেশ মলদোভাকে ইউক্রেনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষার বড় খেসারত দিতে হচ্ছে। দেশটির বর্তমান ইইউপন্থী সরকারকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের চক্রান্ত করছে রাশিয়া। মিউনিখে অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা সম্মেলনে মাস কয়েক আগে এমনটাই অভিযোগও করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দু। ইউক্রেন ও রোমানিয়ার প্রতিবেশী দেশটিতে কয়েক দিন ধরেই রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। মূল্যস্ফীতি ও বিভিন্ন চাপে পড়ে এক সময়ে মলদোভার প্রধানমন্ত্রী তার পুরো মন্ত্রিসভা নিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দোরিন রেচানকে বেছে নেন মাইয়া সান্দু। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “তথাকথিত বিরোধীরা বিক্ষোভ আয়োজনের মাধ্যমে ওই চক্রান্তে জড়িত হয়েছে। তারা সাংবিধানিক সরকারকে উৎখাত করতে চায়।” মলদোভার প্রেসিডেন্টের এই অভিযোগের পর উদ্বেগও প্রকাশ করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন। মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনের ফাঁকে মলদোভার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন।

Advertisement

প্রেসিডেন্ট সান্দু অভিযোগ করে আসছেন, “রাশিয়া সেনাবাহিনীতে কাজ করছে এমন ব্যক্তিদের নাশকতায় ব্যবহারে পরিকল্পনা করেছে। তারা অসামরিক পোশাক পরে ছদ্মবেশে হিংসাত্মক পদক্ষেপ নেওয়ার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর আক্রমণ ও পণবন্দি করার চক্রান্ত করেছে।” রাশিয়ার ওই চক্রান্তে মন্টেনেগ্রো, বেলারুশ ও সার্বিয়ার নাগরিকরাও জড়িত আছেন। তারা মলদোভায় প্রবেশ করে নাশকতার পরিকল্পনা করেছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও সম্প্রতি বলেন, মলদোভাকে ধ্বংসের পরিকল্পনা করেছে রাশিয়া। কিয়েভের গোয়েন্দা সংস্থা এ তথ্য পেয়েছে। সরকারি ভবনে হামলা এবং মলদোভার বর্তমান সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে বন্দি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সেই সঙ্গে অন্তর্ঘাতমূলক কাজ এবং বেসামরিক লোকের ছদ্মবেশে সামরিক ব্যক্তির ওপর হামলারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান। এর পরেই সামরিক অভ্যুত্থানের আশঙ্কা করে বিবৃতি দেন মলদোভার প্রেসিডেন্ট মাইয়া সান্দু।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন