Netanyahu

যুদ্ধ থামাতে শর্ত নেতানিয়াহুর, পালটা হামাস বলছে ‘পণবন্দিদের ছাড়ব না’

কী জানাচ্ছে হামাস?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৮, ২০২৪, ১৮:৪৩

options
link
যুদ্ধ থামাতে শর্ত নেতানিয়াহুর, পালটা হামাস বলছে ‘পণবন্দিদের ছাড়ব না’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক বছর পেরিয়ে গিয়েছে যুদ্ধের। হামাস নিধনে গাজায় রক্তগঙ্গা বইয়ে দিচ্ছে ইজরায়েল। এখনও থামেনি লড়াই। কিন্তু এবার সংঘাত থামার ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু। তবে বেঁধে দিলেন শর্ত। জানিয়ে দিলেন, দুটি শর্ত মানলেই রক্তক্ষয়ী সংঘাতে যতিচিহ্ন পড়বে। যদিও হামাসের সাম্প্রতিক দাবি থেকে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে সেই শর্ত মানতে রাজি নয় তারা। যদিও হামাস জানিয়ে দিয়েছে, লড়াই না থামা পর্যন্ত কোনও পণবন্দিকে ছাড়তে রাজি নয় তারা। 

Advertisement

এক্স হ্যান্ডলে নেতানিয়াহুকে লিখতে দেখা যায়. ‘ইয়াহিয়া সিনওয়ার মৃত। ইজরায়েলি সেনার সাহসী সৈন্যদের হাতে রাফায় তার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু এটা গাজার যুদ্ধের শেষ নয়। শেষের শুরু। আমার একটা সহজ বার্তা আছে- যুদ্ধ আগামিকালই শেষ হয়ে যেতে পারে। যদি হামাস তাদের অস্ত্র নামিয়ে রাখে এবং আমাদের পণবন্দিদের ফিরিয়ে দেয়।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, গাজায় ইজরায়েলি সেনার বোমাবর্ষণে খতম হয়েছে সিনওয়ার! কুখ্যাত এই জেহাদির শেষ মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ করে এমনটাই দাবি করেছে ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ)। সেই দাবি মেনে নিয়েছে হামাসও। গত বছরের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের বুকে হওয়া ভয়ানক হামলার মূলচক্রী কুখ্যাত এই জঙ্গি। তার মৃত্যুকে ঘিরে ছড়াতে থাকা গুঞ্জনের মাঝেই এবার এই বার্তা দিলেন নেতানিয়াহু। সেই সঙ্গে তিনি জানান, এখনও হামাসের হাতে ১০১ জন পণবন্দি রয়েছে গাজায়। যাঁদের মধ্যে কেবল ইজরায়েলিরাই নন, রয়েছেন ২৩টি দেশের নাগরিকরা। তাঁদের ফিরিয়ে দিলে সকলের নিরাপত্তা রক্ষার দায়ও নিতে রাজি, জানাচ্ছেন নেতানিয়াহু।

Advertisement

গত বছরের ৭ অক্টোবর হওয়া হামলার বদলা নিয়ে প্যালেস্টাইনের জঙ্গি সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দেন নেতানিয়াহু। তার পর থেকেই লড়াই জারি রয়েছে গাজায়। এবার যুদ্ধ থামাতে নেতানিয়াহু বার্তা দিলেও হামাসের সাফ জবাব, লড়াই না থামা পর্যন্ত কোনও পণবন্দিকে ছাড়তে রাজি নয় তারা। ফলে এটা পরিষ্কার, এখনই যুদ্ধ থামার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন