Donald Trump

‘আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামায় উপকৃত গোটা বিশ্ব’, ‘লাশের পাহাড়ে’ দাঁড়িয়ে দাবি ট্রাম্পের

ইরানের বিরুদ্ধে ভয়ংকর আগ্রাসন ও গোটা দেশকে 'মৃত্যু উপত্যকায়' পরিণত করে এবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, এই যুদ্ধ শুরু করে আসলে বিশ্বের উপকার করেছে আমেরিকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৬, ১৮:১৪

options
link
‘আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামায় উপকৃত গোটা বিশ্ব’, ‘লাশের পাহাড়ে’ দাঁড়িয়ে দাবি ট্রাম্পের
আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামায় উপকৃত গোটা বিশ্ব, দাবি ট্রাম্পের।

শঠের যুক্তির অভাব নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) ‘যুদ্ধবাজ’ বলে যতই গালি দিক বিশ্ব, যুক্তির অভাব নেই ট্রাম্পের মুখে। ইরানের বিরুদ্ধে ভয়ংকর আগ্রাসন ও গোটা দেশকে ‘মৃত্যু উপত্যকায়’ পরিণত করে এবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, এই যুদ্ধ শুরু করে আসলে বিশ্বের উপকার করেছে আমেরিকা। মার্কিন অভিযানের অগ্রগতিকেও অসাধারণ সাফল্য হিসেবে মনে করছেন তিনি।

Advertisement

আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর রবিবার নবম দিনে পড়েছে ইরান যুদ্ধ। তার আগে শনিবার এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ”ইরানের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ আমেরিকা শুরু করেছে তা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নয়, বরং গোটা বিশ্বকে সেবা দিচ্ছি আমরা। আমেরিকা এই যুদ্ধ শুরু করে পুরো বিশ্বের উপকার করেছে।” পাশাপাশি যৌথ হামলায় ইরানের সুপ্রিম লিডার খামেনেই-সহ আর যেসব শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়েছে তাঁদের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “ওরা অসুস্থ মস্তিস্কের মানুষ ছিল। ভীষণই অসুস্থ ছিল ওরা।” তাঁদের নিকেশ করে আমেরিকা উচিত কাজ করেছে বলেই মনে করেন ট্রাম্প।

Advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ”ইরানের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ আমেরিকা শুরু করেছে তা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নয়, বরং গোটা বিশ্বকে সেবা দিচ্ছি আমরা। আমেরিকা এই যুদ্ধ শুরু করে পুরো বিশ্বের উপকার করেছে।”

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযানের সাফল্য তুলে ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলেন, “ইরানের উপর মার্কিন হামলায় সে দেশের সামরিক ক্ষমতার উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। ইরানের নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধে মার্কিন হামলায় ৪২টি নৌযান ধ্বংস হয়েছে। তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছিল। আমরা ওদের পারমাণবিক ঘাঁটিগুলি ধ্বংস করেছি। কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে ওদের বিমান বাহিনীর। অন্যদিকে ইজরায়েলের তরফেও দাবি করা হয়েছে, ইরানের একের পর এক বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ১৬টি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত যুদ্ধের জেরে ইরানে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭ হাজার মানুষের।

Advertisement

উল্লেখ্য, নয়া পরমাণু চুক্তি সই করানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে ইরানের উপর চাপ দিয়ে আসছিল আমেরিকা। এই চুক্তিতে আমেরিকার শর্ত ছিল, ব্যালেস্টিক মিসাইল তৈরি করতে পারবে না ইরান, বন্ধ করতে হবে তাদের যাবতীয় পারমাণবিক কর্মসূচি। পাশাপাশি হেজবোল্লা, হাউথির মতো সংগঠনগুলিকে সমর্থন জোগানো বন্ধ করতে হবে ইরানকে। তবে আমেরিকার এই গা-জোয়ারির সামনে মাথানত করেনি তেহরান। যার জেরেই মার্কিন আগ্রাসনের পড়ছে গোটা দেশ। যদিও এই মৃত্যুযজ্ঞ ও হাহাকারের মাঝেই লাশের পাহাড়ে দাঁড়িয়ে ট্রাম্পের দাবি, তাঁদের তরফে যুদ্ধ শুরু করায় উপকৃত হচ্ছে গোটা বিশ্ব।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.