Melania Trump

‘ওদের স্বপ্নগুলো বাঁচিয়ে রাখুন’, ইউক্রেন যুদ্ধে শান্তির বার্তা দিয়ে পুতিনকে চিঠি মেলানিয়ার

শনিবার আলাস্কার বৈঠকে পুতিনকে চিঠিটি তুলে দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০২৫, ১৫:৩৯

options
link
‘ওদের স্বপ্নগুলো বাঁচিয়ে রাখুন’, ইউক্রেন যুদ্ধে শান্তির বার্তা দিয়ে পুতিনকে চিঠি মেলানিয়ার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বামী গিয়েছিলেন যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করতে। তাঁর হাত দিয়েই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে স্ত্রী পাঠিয়ে দিলেন চিঠি! বলা হচ্ছে মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের কথা। এতটুকু শুনে অন্য কোনও সমীকরণ করে বসবেন না যেন। এ চিঠি কূটনৈতিক স্তরে তো বটে, সব মহলেই অতি গুরুত্বপূর্ণ। একজন মা হিসেবে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের শিশুদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার কাতর আর্জি এই চিঠির বিষয়। হাতে লেখা চিঠিতে পুতিনের কাছে মেলানিয়ার আবেদন, ‘পৃথিবীর প্রতিটি শিশু স্বপ্ন দেখে, সম্ভাবনাময় হয়। তারা যে কোনও বিপদ থেকে সুরক্ষিত থাকার অধিকারী। তাদের সারল্য, স্বপ্নগুলো বাঁচিয়ে রাখুন।’

Advertisement

আলাস্কায় ট্রাম্প-পুতিনের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়, সেদিকে নজর ছিল আন্তর্জাতিক মহলের। কিন্তু প্রাপ্তি কার্যত হতাশা। দীর্ঘ তিনঘণ্টার বৈঠক শেষেও রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের জট কাটেনি। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেই আলোচনাকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ বলে উল্লেখ করেছেন। এদিকে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য সোমবার ওয়াশিংটন যাওয়ার কথা ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির। তাতেও সুফল মিলবে কি না, ঠিক নেই।

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে দু’দেশের সংঘর্ষ বন্ধ করে শান্তির বার্তা দিতে মার্কিন ফার্স্ট লেডি শিশুদের কথা বললেন। স্বামীর হাত দিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে পাঠানো চিঠিতে বিষয়টি অত্যন্ত সহমর্মিতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন মেলানিয়া। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘যুদ্ধবিধ্বস্ত মফস্বল হোক আর ঝাঁ-চকচকে শহর, যেখানেই জন্ম হোক না কেন, প্রত্যেক শিশু নিজেদের অন্তরে একটা স্বপ্ন লালন করে। একটা সম্ভাবনা থাকে সবার মধ্যে। তারা সকলে বিপদ থেকে সুরক্ষিত থাকার অধিকারী। অভিভাবক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব, তাদের সেই স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখা, বাড়তে দেওয়া। আমরা সেই দায়বদ্ধতা অস্বীকার করতে পারি না।’

Advertisement

চিঠিতে মেলানিয়া আরও উল্লেখ করেছেন, ‘জানি, একটা সুন্দর, সম্মানযোগ্য পৃথিবী তৈরি করতে আমাদের বহু সংগ্রাম করতে হবে। আর সেই কারণেই আমাদের বাড়তি নজর দিতে হবে যাতে প্রত্যেক ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকে। আমরা যেন পরবর্তী প্রজন্মকে সঠিকভাবে বাড়তে দিতে পারি। মনে রাখতে হবে, ভৌগলিক অবস্থান, আদর্শ নিরপেক্ষভাবে প্রত্যেক মানুষ শৈশব শুরু করে পবিত্রতা নিয়ে। আজকের পৃথিবীতে কোনও কোনও শিশু হাসিখুশি। অন্ধকার তাদের স্পর্শও করতে পারে না। মিস্টার পুতিন, আপনি একা হাতে ওদের শৈশবের নির্মল হাসি ফিরিয়ে দিতে পারেন।’ কিন্তু মার্কিন ফার্স্ট লেডির এহেন কাতর আর্জিতে কি মন গলবে ‘আয়রনম্যান’ পুতিনের? এটাই এখন বিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.