Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Anti-Reservation Protest

‘ধনীদের কোটা নয়’, দিল্লিতে জোরালো সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলন, আধাসেনা নামাল সরকার

এই মুহূর্তে ভারতে দু'ধরনের সংরক্ষণ চালু রয়েছে। একটি জাতের ভিত্তিতে। আরেকটি অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের জন্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৩:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৩:৪৭

options
link
‘ধনীদের কোটা নয়’, দিল্লিতে জোরালো সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলন, আধাসেনা নামাল সরকার zoom
যন্তর মন্তরে কোটা বিরোধী বিক্ষোভ। ফাইল ছবি।
Advertisement

‘সংরক্ষণ গরিবরা পাক, জাতির ভিত্তিতে নয়।’ যন্তর মন্তরের আকাশবাতাস যখন এই শ্লোগানে মুখরিত। তখনই বিক্ষোভ দমন করতে খড়হস্ত হল নিরাপত্তারক্ষীরা। আধাসেনা নামিয়ে যন্তর মন্তরের সংরক্ষণ বিরোধী বিক্ষোভ (Anti-Reservation Protest) থামাল মোদি সরকার। আটক করা হল অন্তত ৫০ জন বিক্ষোভকারীকে।

কিছুদিন আগে ইউজিসির একটি নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে গোবলয়ে উচ্চবর্ণ অর্থাৎ স্ববর্ণের মধ্যে প্রবল প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। স্ববর্ণদের দাবি ছিল, ওই নির্দেশিকাতে শুধু উচ্চবর্ণের সকলকেই অত্যাচারি হিসাবে দেখানো হয়েছে। সেসময় থেকেই সোশাল মিডিয়ায় দলিত, ওবিসি ও আদিবাসীদের প্রতি সরকারের পক্ষপাতিত্বের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়। সোশাল মিডিয়ায় সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের একটি পেজ তৈরি হয়। সেই সংরক্ষণ বিরোধী মঞ্চই শুক্রবার দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল। একাধিক রাজ্য থেকে শুক্রবার যন্তর মন্তরে বহু বিক্ষোভকারী উপস্থিত হন।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, শুক্রবার সকাল থেকে যন্তর মন্তরে ভিড় জমাতে শুরু করে প্রতিবাদীরা। দুপুরের দিকে ভিড় ব্যাপকভাবে বেড়ে যায় ভিড়। ব্যানার পোস্টার হাতে স্লোগান দিতে দেখা যায় বহু মানুষকে। এদিকে সিজেপির আন্দোলনের জন্য যন্তর মন্তর নিয়ে সতর্ক ছিল দিল্লি পুলিশ। কোনওরকম অশান্তি এড়াতে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয় ব্যারিকেড। বিক্ষোভকারীরা যাতে প্রতিবাদস্থলে পৌঁছতে না পারে তার জন্য বাধা দেওয়া হয়। তারপরও ভিড় রোখা যায়নি। রাত পর্যন্ত শ’য়ে শ’য়ে বিক্ষোভকারী হাজির হন। স্লোগান ওঠে, “গরিবো কো আরক্ষণ মিলে, জাত কো নেহি।” শেষে পুলিশকে কড়া হাতে বিক্ষোভ দমাতে হয়। ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে মারধর করে আধাসেনা এবং পুলিশ। জনা পঞ্চাশ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।

এই মুহূর্তে ভারতে দু’ধরনের সংরক্ষণ চালু রয়েছে। একটি জাতের ভিত্তিতে। মোটামুটিভাবে তফসিলি জাতির জন্য ১৫ শতাংশ, তফসিলি উপজাতির জন্য ৭.৫ শতাংশ, ওবিসিদের জন্য ২৭ শতাংশ সংরক্ষণ চালু রয়েছে। যদিও এই সংখ্যাটা বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্নরকম। এর বাইরে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের জন্য সার্বিকভাবে গোটা দেশে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ চালু রয়েছে। কোটা বিরোধী বিক্ষোভকারীরা মূলত ওই জাতের ভিত্তিতে সংরক্ষণের বিরোধিতা করছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.