Numerology

জন্মসংখ্যাই বলে দেয় সবচেয়ে বড় প্রতারক কে, মনের কথা বুঝেসুঝে বলুন এঁদের!

সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমেরোলজি অনুযায়ী, বিশেষ কিছু মূলাঙ্কের জাতক-জাতিকাদের মধ্যে স্বভাবগতভাবেই চপলতা এবং প্রতারণার প্রবণতা বেশি থাকে। বয়সের কোনও গণ্ডি এঁরা মানেন না। যেকোনও বয়সেই এঁদের মন উচাটন হয়ে উঠতে পারে। জেনে নিন কারা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ২০:৫৮

options
link
জন্মসংখ্যাই বলে দেয় সবচেয়ে বড় প্রতারক কে, মনের কথা বুঝেসুঝে বলুন এঁদের!
প্রতারণার প্রবণতা কোন মূলাঙ্কে বেশি?

জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, মানুষের স্বভাব-চরিত্র, ভালো-মন্দ, এমনকী ভালোবাসায় বিশ্বস্ততা বজায় রাখার ক্ষমতাও অনেকখানি নির্ভর করে জন্মতারিখের ওপর। সম্পর্কের শুরুতে অনেকেই বুক বাঁধেন। কিন্তু মাঝপথে কেউ কেউ অবলীলায় ভেঙে দেন সেই বিশ্বাসের কবচ। সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমেরোলজি অনুযায়ী, বিশেষ কিছু মূলাঙ্কের জাতক-জাতিকাদের মধ্যে স্বভাবগতভাবেই চপলতা এবং প্রতারণার প্রবণতা বেশি থাকে। বয়সের কোনও গণ্ডি এঁরা মানেন না। যেকোনও বয়সেই এঁদের মন উচাটন হয়ে উঠতে পারে।

Advertisement

মূলাঙ্ক কী?
জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা হল সংখ্যাতত্ত্ব। আর এর মূল ভিত্তি হল ‘মূলাঙ্ক’। সহজ কথায়, কোনও ব্যক্তির জন্মতারিখের একক সংখ্যাটিই হল তাঁর মূলাঙ্ক। উদাহরণস্বরূপ, যদি কারোর জন্ম মাসের ৫, ১৪ কিংবা ২৩ তারিখে হয়, তবে ৫+(১+৪)+(২+৩) মিলিয়ে তাঁর মূলাঙ্ক হবে ৫। এই মূলাঙ্কই নির্ধারণ করে মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, গ্রহের অবস্থান এবং তাঁর মানসিকতা।

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

প্রতারণার প্রবণতা কোন মূলাঙ্কে বেশি?
সংখ্যাতত্ত্ববিদদের মতে, মূলাঙ্ক ৩ এবং মূলাঙ্ক ৫-এর জাতকদের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে চপলতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

Advertisement

মূলাঙ্ক ৮ (শনির প্রভাব): এই মূলাঙ্কের জাতকদের জীবন বেশ জটিল এবং ওঠানামা চলতে থাকে। এঁরা সহজে নিজের মনের কথা কাউকে বলতে পারেন না, যার ফলে এক গভীর নিঃসঙ্গতা তৈরি হয়। সঙ্গী যদি এঁদের এই মানসিক জটিলতা বুঝতে না পারেন, তবে এঁরা গোপনে সমব্যথী খোঁজার চেষ্টা করেন। শনির প্রভাবে এঁরা অত্যন্ত ধূর্ত এবং গোপনপ্রিয় হন। ফলে, দীর্ঘ সময় ধরে সমান্তরাল সম্পর্ক চালিয়ে গেলেও কেউ তা টের পায় না। এঁদের প্রতারণার মূল কারণ মানসিক অসন্তোষ এবং বৈষয়িক বা শারীরিক চাহিদার অতৃপ্তি। যেকোনও বয়সে চরম সিদ্ধান্ত নেওয়ার এক অদ্ভুত একগুঁয়েমি এঁদের মধ্যে থাকে, যা সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বাসঘাতকতার রূপ নিতে পারে।

মূলাঙ্ক ১ (সূর্যের প্রভাব): এই মূলাঙ্কের জাতকেরা স্বভাবগতভাবেই অত্যন্ত আত্মকেন্দ্রিক হন। এঁরা সবসময় চান সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে। সঙ্গী যদি এঁদের পর্যাপ্ত গুরুত্ব বা সমীহ না দেন, তবে এঁদের অহং বা ‘ইগো’তে আঘাত লাগে। তখন নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে এবং নতুন করে প্রশংসা পাওয়ার লোভে এঁরা বাইরের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এঁদের ক্ষেত্রে প্রতারণা অনেক সময় রাজকীয় আধিপত্য বিস্তারের মানসিকতা থেকে আসে। যেকোনও বয়সে নিজের আকর্ষণ ক্ষমতা যাচাই করার জন্য এঁরা নতুন সম্পর্কে জড়াতে দ্বিধা করেন না।

মূলাঙ্ক ৫ (বুধের প্রভাব): এই মূলাঙ্কের অধিপতি গ্রহ হল বুধ। বুধ চঞ্চলতার প্রতীক। এঁরা খুব দ্রুত একঘেয়েমিতে ভোগেন। জীবনে সবসময় নতুনত্বের খোঁজ করেন। সম্পর্কে একটুও একঘেয়েমি এলেই এঁদের মন বাইরের দিকে পা বাড়ায়। যেকোনও বয়সেই এঁরা নতুন প্রেমের হাতছানিতে সাড়া দিতে পারেন। প্রতারণার পাল্লা এদের সবসময়ই ভারী। তা সে যেকোনও ক্ষেত্রেই হোক না কেন!

ছবি: সংগৃহীত

মূলাঙ্ক ৩ (বৃহস্পতির প্রভাব): বৃহস্পতির প্রভাবে এঁরা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হন। ফ্লার্ট করতে এঁদের জুড়ি মেলা ভার। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের কারণে অনেক সময় এঁরা একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং চাতুর্যের সঙ্গে তা গোপন রাখেন।

এছাড়াও, মূলাঙ্ক ৭-এর জাতকেরা মানসিক দূরত্বের কারণে অনেক সময় সঙ্গীর অজান্তেই অন্য কারো প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। তবে জ্যোতিষীরা মনে করেন, সংখ্যাতত্ত্ব কেবল একটি প্রবণতা ইঙ্গিত করে মাত্র। সম্পর্কের ভিত মজবুত করতে প্রয়োজন পারস্পরিক সততা ও বিশ্বাস।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.