৩০ শ্রাবণ  ১৪২৫  বুধবার ১৫ আগস্ট ২০১৮  |  মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও রাশিয়ায় মহারণ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ইস্টবেঙ্গল: ০
ক্যালকাটা কাস্টমস: ০

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৃষ্টির ভ্রুকুটি এদিন ছিল না। তাই মাঠের হাল মোটের উপর ভালই ছিল। গ্যালারিতে ভিড়ও জমিয়েছিলেন লাল-হলুদ ভক্তরা। ইচ্ছা ছিল ডিকা-আমনারা কাস্টসমকে হারালেই মশাল জ্বালাবেন। কিন্তু ইচ্ছেপূরণ হল না। লিগে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই পয়েন্ট খুইয়ে চাপে পড়ে গেল ইস্টবেঙ্গল।

প্রথম ম্যাচ বাতিল হয়ে যাওয়ার পর পুলিশকে হারিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল লাল-হলুদ শিবিরকে। তার উপর প্র্যাকটিস ম্যাচে কাস্টমসকে হারিয়েছিল দল। তা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেননি সুভাষ ভৌমিকের ছেলেরা। কিন্তু ভাল খেলেও ফিনিশিংয়ের অভাবেই জয়ের মুখ দেখা হল না তাঁদের। প্র্যাকটিস ম্যাচে বিদেশিহীন কাস্টমসকে পরাস্ত করেছিল লাল-হলুদ। তবে এদিন সর্বশক্তি নিয়েই ঝাঁপিয়েছিল প্রতিপক্ষ। ডিকা-আইদারাদের ক্রমাগত আক্রমণ আটকে দেয় কাস্টসম রক্ষণ। একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি
করেছিলেন গগনদীপ-রালতেরা। কিন্তু গোলমুখ খুলতে ব্যর্থ। শেষমুহূর্তে সুরাবউদ্দিনও সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন।

[টিম ইন্ডিয়ার সঙ্গে অনুষ্কার ছবি, কী জবাব দিল বিসিসিআই?]

ম্যাচে নামার আগে থেকেই দলের ফরোয়ার্ড লাইন এবং মাঝমাঠ নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন লাল-হলুদ টিডি। প্রথম ম্যাচে জয় পেলেও, স্ট্রাইকার বালি গগনদীপের পারফর‌ম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বিশেষ করে বারবার অফসাইডের ফাঁদে পড়া নিয়ে। তাই এদিন যেন দলে বিদেশি স্ট্রাইকারের অভাব বেশি করে অনুভূত হল।

নেইমার-কুটিনহোদের ট্যাকল করে এসেছেন। এবার ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে মাঠে নামার কথা। তবে কলকাতায় পা রাখার পর ৭২ ঘন্টা তাঁকে বিশ্রাম দিয়েছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তাই এদিনও মাঠের বাইরেই ছিলেন। তবে ডাগআউটে বসে যে দ্বিতীয় ম্যাচেই এভাবে দলকে আটকে যেতে দেখবেন, ভাবেননি। কলকাতা ময়দানের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের নানা প্রশংসা শুনে এসেছেন। তার উপর কলকাতা লিগে টানা আটবারের চ্যাম্পিয়ন এই দল। সেখানে লিগের শুরুতেই হোঁচট খেল ইস্টবেঙ্গল। যা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে বড়সড় সমস্যায় ফেলতেই পারে সুভাষ ভৌমিকের দলকে।

[মাঠের মালিকানা তিন প্রধানের হাতেই থাক, রাজ্যসভায় দাবি সাংসদ ঋতব্রতর]

টানা ৯ বার কলকাতা লিগ জয়ের লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু এ ম্যাচ থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পাওয়ায় চার পয়েন্ট নিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানের থেকে পিছিয়েই রইল তারা। ফলে পাঠচক্রর বিরুদ্ধে নামার আগে যে বাড়তি চাপে থাকবে লাল-হলুদ শিবির, তা বলাই বাহুল্য।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং