Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬

‘থ্রি ইডিয়টস’-এর কায়দার সন্তান প্রসব করানোর চেষ্টা তিন নার্সের, তারপর…

ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৭, ১৫:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৭, ১৫:৩৪

options
link
‘থ্রি ইডিয়টস’-এর কায়দার সন্তান প্রসব করানোর চেষ্টা তিন নার্সের, তারপর… zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঠিক যেন থ্রি ইডিয়টস সিনেমার দৃশ্য। রাঞ্চোর কায়দাতেই ফোনে চিকিৎসকের নির্দেশ শুনে অস্ত্রোপচার করে সন্তান প্রসব করানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনজন নার্স। কিন্তু, সিনেমার পর্দায় যা দেখানো হয়, বাস্তবে সবসময় তা ঘটে না। সিনেমায় চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে সফলভাবেই সন্তান প্রসব করাতে পেরেছিলেন রাঞ্চোরূপী আমির খান ও তাঁর সঙ্গীরা। কিন্তু, ওই তিনজন নার্স পারলেন না। মারা গেল শিশুটি। ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার কেন্দাপাড়া জেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। ঘটনায় হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করেছেন প্রসূতি পরিবারের লোকেরা।

[মোদির নামে মন্দির গড়ছেন প্রাক্তন আমলা, থাকবে ১০০ ফুট উঁচু মূর্তিও]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু, কেন হঠাৎ এভাবে ঝুঁকি নিয়ে প্রসব করাতে গেলেন ওই তিন নার্স? জানা গিয়ে্ছে, এক চিকিৎসকের পরামর্শে আরতি সামাল নামে ওই প্রসূতিকে কেন্দাপাড়ার ওই বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করেছিলেন তাঁর পরিবারের লোকেরা। কিন্তু, যখন আরতিকে ভরতি করা হয়, তখন হাসপাতালে ছিলেন না চিকিৎসক রেশমীকান্ত পাত্র। এদিকে ভরতি হওয়ার পরই প্রসূতির শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে শুরু করে। তাই ফোনেই চিকিৎসকের নির্দেশ শুনে অস্ত্রোপচার করে সন্তান প্রসব করানোর সিদ্ধান্ত নেন হাসপাতালের তিন নার্স। আর তাতেই ঘটে বিপত্তি। শিশুটিকে তো বাঁচানো যায়ইনি, উলটে অদক্ষ হাতে অস্ত্রোপচারের ফলে প্রসূতির জরায়ুরও ক্ষতি হয়েছে।

[‘মালিয়ার জামিন ধোনির স্টাম্পিংয়ের থেকেও দ্রুত’, হাসির রোল নেটদুনিয়ায়]

নার্সরা যখন অস্ত্রোপচার করে স্ত্রীর সন্তান প্রসব করানোর চেষ্টা করছিলেন, তখন হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন আরতি সামালের স্বামী কালপাত্রু সামাল। তিনি জানিয়েছেন, ‘ আমার ডাঃ রেশমীকান্ত পাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তিনি আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভরতি করতে বলেন। ডাঃ পাত্র জানিয়েছিলেন, তিনি হাসপাতালে নেই। তবে নার্সদের সঙ্গে কথা বলে আমার স্ত্রী চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থা করে দেবেন। কিন্তু, আমার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার পরও হাসপাতালে আসেননি রেশমীকান্ত পাত্র। আমি জানি না, কারা এই কাজ করেছে। তবে আমার স্ত্রীর অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং আমাদের প্রথম সন্তান মা্রা গিয়েছে।’  ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক রেশমীকান্ত পাত্রের বিরুদ্ধে স্থানীয় এফআইআর দায়ের করেছেন প্রসূতির বাড়ির লোকেরা।

[চিকিৎসার টাকা নেই, শিশুপুত্রকে খুন করে আত্মঘাতী মা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.