সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পিসরুম থেকেই ভোটের বাংলায় নজর রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (C V Ananda Bose)। সকাল থেকেই একের পর এক আসছে অভিযোগ। তিনি তা পাঠাচ্ছেন কমিশনে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সব থেকে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে কোচবিহার থেকে। রাজ্যপালের কথায়, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা কমিশনের দায়িত্ব।’
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রার্থনায় শুক্রবার সকালেই কালীঘাটে গিয়ে পুজো দেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তার পর সোজা চলে যান রাজভবনের পিসরুমে। সকাল থেকেই সেখানে রয়েছেন তিনি। একের পর এক আসছে অভিযোগ। কোথাও ভোট দিতে যাওয়ার পথে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। কোথা থেকে আবার ইভিএম খারাপ করার অভিযোগ এসেছে। সূত্রের খবর, অভিযোগ পাওয়ামাত্রই তা কমিশনে পাঠিয়ে দিচ্ছেন রাজ্যপাল। তাঁর কথায়, “রাজ্যপাল হিসেবে আমার যা দায়িত্ব আমি পালন করব। সুষ্ঠু নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।”
[আরও পড়ুন: প্রথম দফা ভোটের Live Update: দেশজুড়ে শুরু লোকসভা নির্বাচন, কোচবিহারে রহস্যমৃত্যু জওয়ানের]
এদিকে এই পিসরুম নিয়ে রাজ্যপালকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “ভোট চলাকালীন পিসরুমের নামে তৃণমূল বিরোধী প্রচার চালাচ্ছেন রাজ্যপাল। তিনি নির্বাচন কমিশনের কেউ নন। ভোটের দিন এমনভাবে দিল্লি নিযুক্ত পদাধিকারীর প্রচার রীতিনীতি বহির্ভূত। আইনশৃঙ্খলা এখন কমিশনের দায়িত্বে। সেখানে রাজভবনের কোনও ভূমিকা নেই।”
ভোট চলাকালীন ‘পিস রুম’-এর নামে @AITCofficial বিরোধী প্রচারের মঞ্চ চালাচ্ছেন রাজ্যপাল। তিনি নির্বাচন কমিশনের কেউ নন। ভোটের দিন এমনভাবে দিল্লি নিযুক্ত পদাধিকারীর প্রচার রীতিনীতি বহির্ভূত। আইনশৃঙ্খলা এখন কমিশনের দায়িত্বে। সেখানে রাজভবনের কোনো ভূমিকা নেই। রাজ্যপাল পরিকল্পিতভাবে…
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) April 19, 2024
[আরও পড়ুন: গলায় সিপিএমের উত্তরীয়, হাতে হাত সেলিমের, গড় বাঁচাতে অধীর যেন সত্যিকারের ‘কমরেড’]
সর্বশেষ খবর
-
বীরভূমে ট্রেন্ডিং ‘কাজল মডেল’, অনাস্থার আগেই রাজনগরে পঞ্চায়েত সভাপতির পদত্যাগ অনুব্রত ঘনিষ্ঠর!
-
ফের বিতর্কে সিএবি, স্বার্থের সংঘাতের ‘ফাঁসে’ বাংলার বোর্ড আম্পায়ার
-
‘পুরো বন্দে মাতরম গাওয়া হবে না কর্নাটকে’, কেন্দ্রের নির্দেশ উড়িয়ে ঘোষণা শিবকুমারের
-
সিআইএ-র সতর্কবার্তা শোনেননি, নেতানিয়াহুর টোপ গিলেই ইরানে জোর ফেঁসেছেন ট্রাম্প!
-
বিশ্বজুড়ে বন্ধ মার্কিন ভিসা ইন্টারভিউ, ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতির জের?