Bangladesh Election 2026

অক্সফোর্ডের প্রাক্তনী, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়েও নির্বাচনী বৈতরণী পেরতে ব্যর্থ ‘বিপ্লবী’ তাসনিম

বাংলাদেশের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে একজন ছিলেন তাসনিম জারা। দেশের রাজনীতির ছবি পাল্টে দেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বিলেতের মোটা মাইনের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরেছিলেন ৩১ বছর বয়সি চিকিৎসক। জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগদান করেন। কিন্তু পরে ইসলামপন্থী দলগুলির সঙ্গে জোটের কারণে তিনি দলত্যাগ করেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৩:৫৮

options
link
অক্সফোর্ডের প্রাক্তনী, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়েও নির্বাচনী বৈতরণী পেরতে ব্যর্থ ‘বিপ্লবী’ তাসনিম
তাসনিম জারা। ছবি: সংগৃহীত।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন তাসনিম জারা। জামাত ইসলামির সঙ্গে নির্বাচনী জোটে এনসিপি যুক্ত হলে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন এবং ঢাকা-৯ আসনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে দাঁড়ান এই কট্টর ভারত-বিরোধী নেত্রী তথা জুলাই আন্দোলনের অন্যতম মুখ। কিন্তু একা লড়ে প্রায় ২১ শতাংশ ভোট পেলেও তৃতীয় হয়েছেন তিনি।

Advertisement

তাঁর ঝুলিতে এসেছে ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। যা অন্য একটি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কারণ, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রাক্তনীর নেটমাধ্যমে ৭২ লক্ষেরও বেশি অনুরাগী রয়েছেন। কিন্তু ভোটের বাক্সে সেই ভালোবাসার কোনও প্রতিফলন ঘটল না। তা হলে সোশাল মিডিয়ায় প্রচারের চেয়েও মাঠে-ময়দানে নেমে কাজটাই ভোটারদের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য? অন্তত সেটাই মনে করাচ্ছে ভোটের ফল।

Advertisement

বাংলাদেশের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে একজন ছিলেন তাসনিম জারা। দেশের রাজনীতির ছবি পাল্টে দেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বিলেতের মোটা মাইনের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরেছিলেন ৩১ বছর বয়সি চিকিৎসক। জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগদান করেন। কিন্তু পরে ইসলামপন্থী দলগুলির সঙ্গে জোটের কারণে তিনি দলত্যাগ করেন। যদিও প্রথম বার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে সাফল্য থেকে গেল অধরাই। দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে ‘অন্য’ রাজনীতির পাঠ শেখানোর চেষ্টায় শেষপর্যন্ত সফল হলেন না তাসনিম। ভিন্ন ধরনের নির্বাচনী প্রচার নিয়ে প্রশংসিতও হয়েছিলেন তিনি। তাঁর প্রচারে লাউড স্পিকার, মাইকের ব্যবহার ছিল না। তিনি গত ২৫ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর পক্ষে ভোট চাইতে ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন বলে জানিয়েছিলেন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তাঁর নির্বাচনী পোর্টালে ১৯ হাজার ৭৩১ জন স্বেচ্ছাসেবী হিসাবে নিবন্ধন করেছিলেন।

Advertisement

বাংলাদেশে প্রার্থীদের মধ্যেও অনেকেই ফেসবুকে সক্রিয়। তাঁদের অনুগামীর সংখ্যাও যথেষ্ট। সমাজমাধ্যমের অনুসরণকারীদের নিরিখে সকলকে টপকে গিয়েছেন তাসনিম। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও। কিন্তু পরাজয়ের পর ব্যাপক কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে তাসনিমকে। অনেকে খোঁচা দিয়েছেন, তিনি কি ফের ব্রিটেনে ফিরে যাবেন। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তাসনিম স্পষ্ট জানিয়েছেন, দেশেই থাকবেন তিনি। গঠনমূলক শক্তি হিসাবে কাজ করবেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.