China Jamat

ইদ উপলক্ষে জামাতের সঙ্গে যৌথ কর্মসূচি চিনের! সাফাই দূতাবাসের, ভারতের চিন্তা বাড়ছে কি?

বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনুস জমানা থেকেই জামাতের সঙ্গে চিনের সখ্যতা বাড়ছে। কট্টরপন্থী দলটির সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা ভারতের পক্ষেও যথেষ্ট অস্বস্তির হতে পারে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৯, ২০২৬, ০০:৩৮

options
link
ইদ উপলক্ষে জামাতের সঙ্গে যৌথ কর্মসূচি চিনের! সাফাই দূতাবাসের, ভারতের চিন্তা বাড়ছে কি?
বাংলাদেশের বিরোধী দলনেতা শফিকুর রহমান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। ছবি: সংগৃহীত।

বিরোধী জামাতের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশে ইদের উপহার দিচ্ছে চিন! মঙ্গলবার এমনই ছবি পোস্ট করা হয়েছিল ঢাকার চিনা দূতাবাসের তরফে। তারপরই শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। পরে সাফাই দিয়ে চিনা দূতাবাস জানিয়েছে, গোটা বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি চলছে সোশাল মিডিয়ায়। বাংলাদেশের প্রতি চিন যথেষ্ট বন্ধুত্বপূর্ণ নীতিই নিয়েছে।

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। জামাতের তরফে মিরপুরের একটি মাঠে দুঃস্থদের জন্য খাবার বিতরণী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানে হাজির ছিলেন বাংলাদেশের বিরোধী দলনেতা শফিকুর রহমান। সেখানেই দেখা যায় বাংলাদেশে নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনকেও। শফিকুরের সঙ্গে চিনা রাষ্ট্রদূতের কোলাকুলির ছবিও পোস্ট করা হয় জামাতের ফেসবুক পেজে। সেখানে আরও দাবি করা হয়, চিনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগেই খাবার বিতরণের আয়োজন করেছে জামাত। গোটা ঘটনায় শুরু হয় প্রবল বিতর্ক।

Advertisement

বিতর্কের আবহে গোটা ঘটনা নিয়ে সাফাই দেয় চিনা দূতাবাস। তাদের তরফে বলা হয়, “চিনা রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতি নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় কিছু তথ্য ছড়াচ্ছে যা সঠিক নয়।” দূতাবাস আরো জানায়, বাংলাদেশে চিনের বন্ধুত্বপূর্ণ নীতির প্রতি তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচিত সরকারের সুশাসনের প্রতি আবারও সমর্থন প্রকাশ করেছে দূতাবাস। তাদের তরফে বলা হয়, দুই দেশের জনগণের কল্যাণে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ অব্যাহত থাকবে। চিনা দূতাবাসের এই বক্তব্যের পর জামাতও ফেসবুক পোস্টে সংশোধন করে। ‘চিনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ’ কথাটি মুছে ফেলা হয়।

Advertisement

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনুস জমানা থেকেই জামাতের সঙ্গে চিনের সখ্যতা বাড়ছে। ইউনুস কুর্সিতে বসার পরই পাকপন্থী দলটির নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছে। নির্বাচনেও চমকে দেওয়া ফলাফল করেছে জামাত। ৬৮টি আসন জিতে দেশের প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসেছে। কট্টরপন্থী দলটি ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকাতেই। সীমান্ত এলাকায় জামাতের জয়ের অর্থ ভারত লাগোয়া এলাকাগুলিতে মৌলবাদ বাড়ছে। যা আগামী দিনে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘরে পরিণত হতে পারে। সেই জামাতের সঙ্গেই চিনের ঘনিষ্ঠতা ভারতের পক্ষেও যথেষ্ট অস্বস্তির হতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.