Dhaka

২৪ ঘণ্টার চূড়ান্ত সময়সীমা! এখনই হস্টেল ছাড়বেন না ঢাকা মেডিক্যালের পড়ুয়ারা

অ্যাকাডেমিক ভবন, হস্টেলের দুর্বল পরিকাঠামোর অভিযোগে চলছে পড়ুয়াদের আন্দোলন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৫, ১৫:৫৪

options
link
২৪ ঘণ্টার চূড়ান্ত সময়সীমা! এখনই হস্টেল ছাড়বেন না ঢাকা মেডিক্যালের পড়ুয়ারা

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকা: অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভা ডেকে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, কয়েকঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তা মেনে না নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলনের পথে হাঁটলেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়ারা। এখনই হস্টেল না ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁরা। রবিবার আন্দোলনকারীদের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, দাবিপূরণে আশ্বাস মেলেনি, তাই এখনই তাঁরা হস্টেল ছাড়বেন না। উলটে কর্তৃপক্ষের উপর চাপ বাড়িয়ে অ্যাকাডেমিক ভবন, হস্টেলের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ২৪ ঘণ্টার ‘আলটিমেটাম’ বা চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দেওয়া হল।

Advertisement

রবিবার মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের পক্ষে তৌহিদুল আবেদিন তানভির বলেন, ”অধ্যক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আবাসন সংকট সমাধানে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিচ্ছি আমরা। সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম-সহ মন্ত্রকের টিম এসে ঝুঁকিপূর্ণ হলের পরিস্থিতি পরিদর্শন করবেন। তা নইলে আমাদের আন্দোলন কঠোর থেকে কঠোরতর হবে।” পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ চিকিৎসক মহম্মদ কামরুল আলম সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে তাঁরা একমত। তবে এর জন্য কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। তিনি আরও বলেছেন, ”পড়ুয়ারা একটা আশু সমাধান চায় যে আজই তাঁদের একটা হল দিতে হবে। যেটা বাস্তবিক অর্থে সম্ভব নয়। আমরা তাঁদের দাবির সঙ্গে একমত। আমরা আশা করছি, তাঁরা অ্যাকাডেমিক ক্লাসে ফিরবে।”

Advertisement

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম, নতুন ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাস নির্মাণের জন্য দ্রুত বাজেট পাশ করা, ছাত্রাবাস নির্মাণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া সব প্রকল্প ও কার্যক্রমের অগ্রগতি পড়ুয়াদের সামনে স্বচ্ছভাবে উপস্থাপন করতে হবে, তার জন্য পড়ুয়াদের একজন প্রতিনিধি ঠিক করার দাবিও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই কর্তৃপক্ষের কাছে এসব দাবি তুলে ধরেছেন মেডিক্যাল পড়ুয়ারা। তাঁদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ এনিয়ে কোনও পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি এতদিন। তাই বাধ্য হয়েই তাঁরা আন্দোলনের পথে হাঁটছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.