ঢাকায় বন্যা পরিস্থিতি

ঢাকা সংলগ্ন নদীগুলির জল বিপদসীমার উপরে, করোনার মাঝে বন্যার আশঙ্কা রাজধানী শহরে

ইতিমধ্যেই প্লাবিত ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২০, ১২:২৬

options
link
ঢাকা সংলগ্ন নদীগুলির জল বিপদসীমার উপরে, করোনার মাঝে বন্যার আশঙ্কা রাজধানী শহরে

সুকুমার সরকার, ঢাকা: করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) দাপটে জর্জরিত বাংলাদেশ। গত পাঁচ মাস ধরে দেশের মানুষ স্বস্তিতে নেই। তার মাঝে নতুন বিপদ নিয়ে এল বন্যা। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর জল কমতে শুরু করলেও বিপদ বাড়ছে রাজধানী ঢাকার। দেশের কিছু মানুষ মাসব্যাপী টানা বন্যায় ভুগেছে।

Advertisement

এবার ঢাকার আশপাশের নদ-নদীর জল বেড়ে চলেছে। ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (Dhaka City Corporation) সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল ঢাকা, গাজিপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। ঢাকা ঘিরে থাকা তুরাগ ও বালু নদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব নদ-নদীর জল খালের মাধ্যমে ঢুকে রাজধানী-সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকাকে প্লাবিত করছে। পুরানো ঢাকা সংলগ্ন বুড়িগঙ্গার জল এখনো বিপদসীমার নিচে থাকলেও প্রতিদিন জলের উচ্চতা বাড়ছে। বিপদসীমার উপরে রয়েছে ঢাকার পার্শ্ববর্তী ধলেশ্বরীর জল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনায় ত্রস্ত বাংলাদেশ, চিনের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে সম্মত ঢাকা]

এভাবে প্রতিটি নদীর জলস্তর বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে রাজধানীর চারপাশের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা। ঢাকার দক্ষিণখান, সাঁতারকুল, বাড্ডা, বেরাইদ, ডুমনি, রামপুরা, গোড়ান, বাসাবো, ডেমরা, যাত্রাবাড়ী ও ডিএনডি বাঁধ এলাকার নিম্নাঞ্চলে জল ঢুকে পড়েছে। প্লাবিত হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের চারটি ওয়ার্ড এলাকা। এছাড়া সংযোগ খাল দিয়ে বন্যার জল ঢুকে পড়ছে নগরীর ভেতরেও। তলিয়ে গেছে সাভার, গাজিপুরের টঙ্গী, কাপাসিয়া, কালীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ-সহ রাজধানী ও আশপাশের জেলাগুলোর অনেক এলাকা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রণে আসছে করোনা সংক্রমণ, দাবি পরিবহণ মন্ত্রীর]

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বালু নদীর জল ডেমরা পয়েন্টে বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার, তুরাগ নদের জল মিরপুর পয়েন্টে ৪৬ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরীর জল এলাসিন পয়েন্টে ৭৮ সেন্টিমিটার ও জাগির পয়েন্টে ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। একদিনের ব্যবধানে বুড়িগঙ্গার জল ঢাকায় ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ঢাকার আশপাশের নদ-নদীর জল আজও একই অবস্থায় থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। প্রতি বর্ষায় এমন বন্যা পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত বাংলাদেশের মানুষ। তবে এ বছর করোনার দাপটের পাশাপাশি এল এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়। বিপদের জোড়া ফলায় কার্যত দিশেহারা সাধারণ মানুষ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.