সোমেই বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন শেখ হাসিনা

আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে জয়ী সাংসদদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০১৯, ১৬:৫৫

options
link
সোমেই বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন শেখ হাসিনা

সুকুমার সরকার, ঢাকা: তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন শেখ হাসিনা। আগামীকাল, অর্থাৎ সোমবার এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। হাসিনার সঙ্গে শপথ নেবেন জয়ী সাংসদরাও। সোমবার বিকেল ৩টের পর ঢাকার বঙ্গভবনে শপথ নেবেন হাসিনা। রাষ্ট্রপতি মহম্মদ হামিদ প্রধানমন্ত্রী ও সাংসদদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভা ভেঙে যাবে। রবিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে জয়ী সাংসদদের।

Advertisement

[সুর নরম ইসলামাবাদের, হাসিনা সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে উদ্যোগী পাকিস্তান]

বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রপতির দপ্তর ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ যৌথভাবে গোটা বিষয় তদারকি করছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অতিথিদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। স্পিকার, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি, সরকার ও বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ-সহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রায় এক হাজার অতিথি এবার শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ পাচ্ছেন। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের পদের অবসান এবং বিজ্ঞাপন দিয়ে বর্তমান মন্ত্রিসভার ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা করা হবে। এদিকে পরিবহণ দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ভিআইপি গাড়ি প্রস্তুত রাখতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছরের মেয়াদ আছে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ফের মত বদল, হাসিনার মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছেন না এরশাদ]

গাইবান্ধায় নির্বাচনের আগে প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ওই আসনে ভোটগ্রহণ হয়নি। কয়েকটি কেন্দ্রে গোলযোগের কারণে বন্ধ ছিল ভোটগ্রহণ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আসনের নির্বাচনের ফল ঘোষিত হয়নি। ওই কেন্দ্রগুলোতে পুনরায় নির্বাচন হবে। ২৯৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফলে শাসকদলের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামি লিগ নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোট পড়েছে ৮০ শতাংশ। ভোটের এই হার দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তদারকি সরকারের অধীনে ৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছিল এবং সেই বছরও জয়ী হয়েছিল আওয়ামি লিগ। ভোট নিয়ে কিছু অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের, বিশেষ করে নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তি নজর কেড়েছে। যদিও প্রধান বিরোধী পক্ষ বিএনপি নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তারা পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন