প্রয়াত মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ। তিনি ৯ বারের সাংসদ ছিলেন। পাশাপাশি আওয়ামি লিগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যও ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন অসুখে। সোমবার দুপুর সাড়ে তিনটেয় তাঁর মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
আরও পড়ুন:
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্ম কোড়ালিয়া গ্রামে। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ সভাপতিও ছিলেন। তবে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়ার পরই জনপ্রিয়তা পান। গণঅভ্যুত্থানে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন তিনিই। ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করার ঘোষণাও করেছিলেন তোফায়েল। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুজিব বাহিনীর চার প্রধানের অন্যতম তোফায়েল বাংলাদেশের জন্ম হলে শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব পান। গোটা রাজনৈতিক কেরিয়ারে ৯ বার সাংসদ ছিলেন তিনি। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সারা জীবনে বহুবার কারাবরণ করেছেন। আওয়ামি লিগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যও ছিলেন।
জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন শারীরিক সমস্যায়। তাঁর নিকটজনেরা জানিয়েছেন, জটিল অসুখে ভোগার মধ্যেই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন। শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতার মতো উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে। সোমবার দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তোফায়েল রেখে গেলেন স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও একমাত্র কন্যা ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নিকে। এমন এক খ্যাতনামা মানুষের মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
গুরুত্ব বাড়ছে নতুন প্রজন্মের! এবার নন্দনে জেন জি চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন, কী বললেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’?
-
ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ, ফের পাক প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি গাভাসকর, কপিল-সহ ২১ প্রাক্তন অধিনায়কের
-
আনন্দপুরে পরিচারিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা, ছুরির কোপ! ফিল্মি কায়দায় চলন্ত ট্রেন থেকে রাঁধুনীকে ধরল পুলিশ
-
বরফ কারখানার অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক! অসুস্থ শিশু-সহ কমপক্ষে ২৫, উত্তপ্ত হাড়োয়া
-
রাখিতে গেজেটপ্রেমী ভাই-বোনকে কী দেবেন ভাবছেন? রইল দারুণ গিফটের আইডিয়া