Purba Medinipur

ময়নার বিজেপি নেতা খুনে এবার পুণে NIA-র জালে আরও এক, ধৃত বেড়ে ১২

২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটের আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বিজেপি নেতাকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৫, ১৮:৫৫

options
link
ময়নার বিজেপি নেতা খুনে এবার পুণে NIA-র জালে আরও এক, ধৃত বেড়ে ১২

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৩ সালে ময়নার বিজেপি নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইঞা খুনে এনআইএয়ের হাতে পুণে থেকে গ্রেপ্তার এক। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মোহন মণ্ডল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত বলে দাবি। খুনের অভিযোগে নবকুমার মণ্ডল ও শুভেন্দু ভৌমিক নামে দুই তৃণমূল কর্মীকে আগেই গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

Advertisement

গ্রেপ্তার হওয়া মোহন মণ্ডলের নামে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল এনআইএ। মহারাষ্ট্রের পুণেতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। সূত্র মারফত তা জানতে পেরে মোহনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই নিয়ে বিজেপি নেতা খুনের মামলায় মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটের আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বিজেপি নেতাকে তুলে নিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। হাই কোর্টের নির্দেশে সেই মামলার তদন্তভার যায় এনআইএয়ের হাতে। তদন্তে নেমে ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা। অভিযুক্ত ও বিজেপি নেতার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন তদন্তকারীরা। ধরপাকড় শুরু হতেই অনেক অভিযুক্ত পালিয়ে যান বলে দাবি।

Advertisement

২০২৩ সালের ১ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা নাগাদ একটি ভ্যানে করে কিছু ইটবোঝাই করে অস্থায়ী বাড়ির উদ্দেশে যাচ্ছিলেন বিজয়কৃষ্ণ ও তাঁর স্ত্রী লক্ষ্মীদেবী। তখন ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল তাঁদের অতর্কিতে আক্রমণ করে। অভিযোগ, তাঁকে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। রাত ১২টা নাগাদ বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি পুকুর পাড় থেকে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তমলুক জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ৩৪ জন তৃণমূল নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর করে শুরু হয় তদন্ত। ৮ জন তৃণমূল নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হলেও বেশ কয়েকজন আবার জামিনে মুক্তি পেয়ে যায় বলে অভিযোগ। প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হয় বঙ্গ বিজেপি। পরবর্তীতে ঘটনার তদন্তভার পায় এনআইএ।

তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “এটা বিজেপির চক্রান্ত। যেখানে বিজেপি দুর্বল, কোনও সংগঠন নেই সেখানে তৃণমূলকে দুর্বল করতে বেছে বেছে কর্মীদের বিরুদ্ধে এনআইএকে দিয়ে গ্রেপ্তার, হ্যারাস করা হচ্ছে। আর কোনও ব্যক্তি গ্রেপ্তার হলেই তিনি যে খুন করেছেন এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। তাছাড়া বিশেষভাবে পূর্ব মেদিনীপুরে এনআইএ বিজেপির শাখা সংগঠনের হয়ে কাজ করছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.