‘ঢ্যামনা নেতা’ মন্তব্যে মহুয়া মৈত্রকে কড়া ভাষায় বিঁধলেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। “কোন দিন তাঁর কোনও ছবি বেরিয়ে পড়বে” বলে চাঁছাছোলা আক্রমণ করলেন তিনি। দু’চারটে কথা বলে তিনি সংবাদের শিরোনামে থাকার চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেছেন বিজেপি সাংসদ। পাশাপাশি তাঁর দাবি, মহুয়া নিজের লোকসভা কেন্দ্রে ঢুকতে পারছেন না। সেখানকার জনতা রেগে আছেন। এ ছাড়াও দিল্লিতে বিজেপির শক্তি হ্রাস পাচ্ছে মহুয়ার এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা বলেন, “এ সব পাগলের প্রলাপ। ওনার ডাক্তার দেখানো উচিত।”
সম্প্রতি ‘কালীঘাটপন্থী’ তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র তৃণমূল নেতাদের একাংশকে বিঁধে ‘ঢ্যামনা নেতা’ বলে মন্তব্য করেন। বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার মহুয়া মৈত্রের এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “মহুয়া মৈত্র অনেক কিছুই বলেন। উনি মা কালীকে নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। এখন ঢ্যামনা নেতা বলছেন। এরপর ওনার নিজেরই কোনও ছবি জনসমক্ষে বেরিয়ে না পড়ে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।” জগন্নাথ আরও বলেন, “ভয়ে উনি এখন নিজের এলাকায় যেতে পারছেন না। উলটো পালটা কথা বলে খবরের শিরোনামে থাকার চেষ্টা করছেন। ওঁর পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গিয়েছে।” দিল্লিতে বিজেপির শক্তি কমে গিয়েছে বলেও দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী মহুয়া। সেই প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ বলেন, “এসব পাগলের প্রলাপ। ওনার ডাক্তার দেখানো উচিত।”
উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে পালটি খাওয়া তৃণমূল নেতাদের ‘ঢ্যামনা নেতা’বলে আক্রমণ করেন মহুয়া। তিনি বলেন, “আমাদের কিছু ঢ্যামনা নেতা আছে। অরূপ, ববিদের মুখে সব সময় শুনতাম সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। আজ দল ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ায় গিরগিটির মতো রং বদলেছে।”
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
ইতিহাস গড়ে এই প্রথম লালকেল্লায় বন্দে মাতরম, জাতির উদ্দেশে ভাষণ শুরু প্রধানমন্ত্রীর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর