নন্দন দত্ত, সিউড়ি: কুলগামে শ্রমিক হত্যাকাণ্ডের ক্ষত এখনও টাটকা। এর মধ্যেই ফের ভিনরাজ্যে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল বাংলার শ্রমিকের। এবার পুণেতে মৃত্যু হল বীরভূমের শেখ আকবরের। মৃত্যুর খবর পেয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েছে যুবকের পরিবার। সূত্রের খবর, রবিবারই গ্রামে ফিরছে ওই শ্রমিকের কফিনবন্দি দেহ।
বীরভূমের সদাইপুর থানা এলাকার বাসিন্দা শেখ আকবর। বেশ কিছুদিন আগেই পেটের টানে মহারাষ্ট্রে পাড়ি দেয় ওই যুবক। পুণেতে একটি সংস্থার অধীনে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। তাঁর উপার্জনে ধীরে ধীরে হাল ফিরতে শুরু করছিল সংসারের। কিন্তু হঠাৎই এলোমেলো হয়ে গেল সবকিছু। জানা গিয়েছে, শেষ কয়েকদিন ধরেই শেখ আকবরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এরপর শুক্রবার পরিবারের তরফে মহারাষ্ট্রে কর্মরত গ্রামের অন্যান্য শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁরাই জানান যে, মৃত্যু হয়েছে ওই যুবকের।
[আরওপড়ুন: স্টিমে চলা ডুলি অচল, ৪ ঘণ্টা খনিগর্ভেই আটকে কোলিয়ারির শ্রমিকরা]
ওই শ্রমিকদের মারফত জানা যায় যে, কর্মরত অবস্থাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন শেখ আকবর। সংস্থার তরফে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হলেও এরপর কেউ আর তাঁর খোঁজ নেয়নি। হাসপাতালেই মৃত্যু হয় শেখ আকবরের। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রে কর্মরত গ্রামের কয়েকজন যুবক শেখ আকবরের দেহ নিয়ে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রামে পৌঁছবেন তাঁরা। যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েছে মৃতের পরিবার।
মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পনামাফিক খুন করা হয়েছে ওই যুবককে। ছেলের মৃত্যুর বিচারের দাবি জানিয়েছেন আকবরের বাবা। জানা গিয়েছে, ঘটনার পর থেকে এখনও পরিবারের কেউই ওই ঠিকাদার সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি। সংস্থার তরফেও যোগাযোগ করা হয়নি শেখ আকবরের পরিবারের সঙ্গে।
[আরও পড়ুন: লুটের উদ্দেশেই খুন! ৮দিন পর বর্ধমানে মহিলা আইনজীবী খুনের কিনারায় জানাল পুলিশ]
সর্বশেষ খবর
-
‘ইসলামই শ্রেষ্ঠ’, মন্তব্য কর্নাটকের মন্ত্রীর, হিন্দু ধর্মকে হেয় করার অভিযোগ বিজেপির
-
ঠোঁটে সারাক্ষণ কৃষ্ণনাম, সাধু বেশে আশ্রয় নিয়ে একের পর এক মঠে লুট! তারপর…
-
নেপালের দুর্যোগে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ? ফুঁসছে নারায়ণী-গণ্ডক, প্লাবনের শঙ্কায় সতর্কতা একাধিক জেলায়
-
পাথর হয়েছিল পিত্তথলিতে, অস্ত্রোপচার হল অ্যাপেনডিক্স! কাঠগড়ায় এনআরএস হাসপাতাল
-
হবু স্ত্রী ইউরোপের রাজকন্যা! বিলাওয়াল ভুট্টোর বিয়ে নিয়ে জল্পনা, কী বলছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি?