A person dies of suspected poisonous fruit in Purulia

‘বিষ’ ফল খেয়ে বিপত্তি, পুরুলিয়ার পুঞ্চায় প্রাণহানি আদিবাসী বৃদ্ধের

অসুস্থ একই পরিবারের আরও পাঁচজন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২১, ১৭:৩৩

options
link
‘বিষ’ ফল খেয়ে বিপত্তি, পুরুলিয়ার পুঞ্চায় প্রাণহানি আদিবাসী বৃদ্ধের
ছবি: সুনীতা সিং

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ‘বিষ’ ফল খেয়ে বিপত্তি। পুরুলিয়ার পুঞ্চার নির্ভয়পুরের প্রাণহানি আদিবাসী বৃদ্ধের। অসুস্থ একই পরিবারের আরও পাঁচজন। তাঁরা প্রত্যেকেই বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি। মৃত এবং অসুস্থ প্রত্যেকেই শবর জনজাতির সদস্য।

Advertisement

শবর জনজাতির সদস্যদের জীবনযাত্রা এখনও জঙ্গলকেন্দ্রিক। তাঁরা সাধারণত জঙ্গল থেকে সংগ্রহ করা ফল, সবজি খেয়েই জীবনধারণ করেন। সেরকমই বুধবার কেন্দুলিয়া এলাকার একটি পুকুরপাড় থেকে ওলের মতো দেখতে একটি ফল সংগ্রহ করেন শবর জনজাতির সদস্যরা। স্থানীয়দের দাবি, ওই ফলটি আলুর মতো রান্নায় ব্যবহার করা হয়। তাঁরা ওই ফলটিকে ‘বাঁওলা’ নামেই চেনে।

Advertisement
Fruit
বাঁওলা ফল। ছবি: সুনীতা সিং।

[আরও পড়ুন: মাদক মামলায় জামিন পেলেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান]

বৃহস্পতিবার ভোরে ওই ফলটি সেদ্ধ করেন। সেই সময় নীল রংয়ের জল বেরোয়। যদিও স্বাভাবিকভাবে  ‘বাঁওলা’ ফল সেদ্ধ করলে তেমন হয় না। সন্দেহ হলেও একই পরিবারের ৬ জন সেটি খান। ফলটি খাওয়ার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন সকলেই। শুরু হয় বমি। অচৈতন্য হয়ে পড়েন বছর বাষট্টির জলধর শবর। তাঁর স্ত্রী রূপধনী শবর, দুই ছেলে নন্দ ও নীলু এবং মাত্র তিন বছর বয়সি নাতি নয়নও অসুস্থ হয়ে পড়েন। তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে পুঞ্চা ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, জলধর শবরের মৃত্যু হয়েছে। বাকি পাঁচজনকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই আপাতত ভরতি সকলেই।

Advertisement
ILL-person
‘বিষ’ ফল খেয়ে অসুস্থ একই পরিবারের ৫ জন। ছবি: সুনীতা সিং।

এদিকে, খবর পাওয়ামাত্রই পুঞ্চার বিডিও অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, উদ্যান পালন দপ্তর, ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। পুঞ্চার বিডিও অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় জানান, “কীভাবে ঘটল এখনই বলা যাবে না। ময়নাতদন্ত হলে কারণ বোঝা যাবে।” খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের আধিকারিকরা ওই ফলটির নমুনা সংগ্রহ করেছেন। পরীক্ষার জন্য নমুনা কলকাতায় পাঠানোও হয়েছে। এ প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ খেড়িয়া শবর কল্যাণ সমিতির ডিরেক্টর প্রশান্ত রক্ষিত বলেন, “‘বাঁওলা’ শবর জনজাতির সদস্যরা খেয়েই থাকেন। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তা শোনা যায়। হয়তো কোনওভাবে বিষক্রিয়ার ফলে বিপত্তি ঘটেছে।”

[আরও পড়ুন: স্বার্থের সংঘাত এড়াতে এটিকে মোহনবাগানের ডিরেক্টর পদ ছাড়লেন সৌরভ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.