Birbhum

স্কুল থেকে ফেরার পথে বাসে চেপে উধাও পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী! আতঙ্কে ঘুম উড়েছে পরিবারের

সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৩, ১৮:২৪

options
link
স্কুল থেকে ফেরার পথে বাসে চেপে উধাও পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী! আতঙ্কে ঘুম উড়েছে পরিবারের
ফাইল ছবি।

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: স্কুল থেকে ফেরার পথে আচমকা উধাও ছাত্রী। প্রায় দেড়দিন পেরিয়ে গেলেও হদিশ নেই তার। কোথায় গেল সে? সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। আতঙ্কে ঘুম উড়েছে পরিবারের।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বর্তমানে সিউড়ির বাসিন্দা পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রী। মা ও সৎ বাবার সঙ্গে থাকত সে। সিউড়ি মিউনিসিপ্যালিটি বালিকা বিদ্যালয়ে পড়ত। অন্য়ান্যদিনের মতোই সোমবার সকালে স্কুলে যায় সে। কিন্তু বিকেল গড়িয়ে সন্ধে হয়ে গেলেও সে বাড়ি ফেরেনি। বন্ধুবান্ধবের কাছে জিজ্ঞেস করলেও তাঁর হদিশ মেলেনি। এরপরই পুলিশে অভিযোগ জানান অভিভাবকরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সদ্যোজাত বদলের অভিযোগ ঘিরে শোরগোল দুর্গাপুরে, বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে থানায় পরিবার]

সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু করে পুলিশ। সেখানেই জানা যায় যে, সিউড়ি থেকে সাঁইথিয়ার বাসে উঠেছিল ওই ছাত্রী। তারপর ১০ কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে বাস থেকে নামে ইটাগড়িয়া এলাকায়। সেখানে একটা দোকান থেকে কেক কেনে। এরপর আর তার কোনও হদিশ মেলেনি। প্রথমে নাবালিকার মায়ের ধারণা ছিল, হয়তো তার নিজের বাবা তাকে নিয়ে গিয়েছে। সেই মতো এদিন সকালে সিউড়ি থানার লাংগুলিয়া গ্রামে যায় পুলিশ। কিন্তু সেখানও হদিশ মেলেনি ছাত্রীর।

Advertisement

এরপরই ছাত্রীর বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের। কারও সঙ্গে বিশেষ কথাবার্তা বলত না। মা ও সৎ বাবা সঙ্গে নাবালিকার সম্পর্ক বিশেষ ভাল ছিল না। তার উপর অত্যাচার চলত। সেই অভিমানে নাবালিকা বাড়ি ছেড়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: স্বপ্নপূরণ! NEET-তে সাফল্য চা বাগানের পড়ুয়াদের, ‘পঞ্চরত্ন’কে সংবর্ধনা দিল জেলা প্রশাসন]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.