Arambagh Hospital

দ্বিতীয় বিয়ের ৬ মাসেই স্ত্রী-সন্তান ছেড়ে প্রথম বউয়ের সঙ্গে সম্পর্ক! বিচার চেয়ে ধরনায় চিকিৎসক ঘরনি

স্বামীর সঙ্গে একটু কথা বলতে পোস্টার হাতে হাসপাতালে ধরনায় বসেন মহিলা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২৬, ১২:৫৯

options
link
দ্বিতীয় বিয়ের ৬ মাসেই স্ত্রী-সন্তান ছেড়ে প্রথম বউয়ের সঙ্গে সম্পর্ক! বিচার চেয়ে ধরনায় চিকিৎসক ঘরনি
দ্বিতীয় বিয়ের ৬ মাসেই স্ত্রী-সন্তান ছেড়ে প্রথম বউয়ের সঙ্গে সম্পর্ক! বিচার চেয়ে ধরনায় চিকিৎসক ঘরনি

মাস ছয়েক আগে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে। দ্বিতীয় বউ ও সন্তানকে ফেলে রেখে ফের প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক! চিকিৎসক স্বামীকে ফিরে পেতে এবার হাসপাতালের বাইরে ধরনায় বসলেন দ্বিতীয় স্ত্রী, হাতে পোস্টার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল শোরগোল আরামবাগ হাসপাতালে (Arambagh Hospital)।

Advertisement

মামনি দে নামে ওই মহিলার দাবি, বর্তমানে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত পি সি টুডু তাঁর স্বামী। মাস ছয়েক আগে আইনিভাবে বিয়ে হয় তাঁদের। মামনি ও ডা. টুডুর নাকি সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ, হঠাৎ করেই মামনির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন ওই চিকিৎসক। একাধিকভাবে চেষ্টাও করে কথা বলতে পারেননি তিনি।

ব্যাপারটা ঠিক কী? মঙ্গলবার দুপুরে আরামবাগ হাসপাতাল চত্বরে এক মহিলা নজর কাড়ে সকলের। দেখা যায়, পোস্টার হাতে গাছের নিচে বসে তিনি। এরপরই জানা যায় আসল কথা। মামনি দে নামে ওই মহিলার দাবি, বর্তমানে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত পি সি টুডু তাঁর স্বামী। মাস ছয়েক আগে আইনিভাবে বিয়ে হয় তাঁদের। মামনি ও ডা. টুডুর নাকি সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ, হঠাৎ করেই মামনির সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন ওই চিকিৎসক। একাধিকভাবে চেষ্টাও করে কথা বলতে পারেননি তিনি। মহিলার দাবি সম্প্রতি প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয়েছে চিকিৎসকের। আর সেই কারণেই নাকি তাঁর সঙ্গে দূরত্ব।

Advertisement

বাধ্য হয়ে স্বামীর সঙ্গে একটু কথা বলতে পোস্টার হাতে হাসপাতালে ধরনায় বসেন মহিলা। তাঁর আর্জি, স্বামী একবার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কথা বলুক তাঁর সঙ্গে। কী চাইছেন তা স্পষ্ট করে জানান। বিচ্ছেদ চাইলেও অসুবিধা নেই তবে তরুণী চান স্বামী ফিরুক সংসারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতাল চত্বরে। খবর পেয়ে হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষী ও আরামবাগ থানার পুলিশ মহিলাকে সরিয়ে দেন। এপ্রসঙ্গে মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডা. রমাপ্রসাদ রায় বলেন, “ওই মহিলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ জমা দেননি। তাই সরাসরি হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই। আমরা মহিলার সঙ্গে কথা বলেছি। সবটা বুঝিয়ে বলায় উনি ধরনা প্রত্যাহার করেছেন।” তবে এবিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন অভিযুক্ত চিকিৎসক।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.