অরূপ বসাক, মালবাজার: বোনের উপর অত্যাচারের জের। জামাইবাবুকে খুন করে ঘিস নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শ্যালকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালবাজারের (Malbazar) ওদলাবাড়ি বাবুজোত এলাকায়। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, মৃতের নাম রাজকুমার ওঁড়াও। এলাকারই বাসিন্দা অনিল ওঁড়াওয়ের বোন বিপ্তির সঙ্গে বিয়ে হয় রাজকুমারের। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীর উপর অত্যাচার করত সে। শনিবার রাতেও ওই দম্পতির মধ্যে অশান্তি হয়। এরপর রবিবার সকালে ঘিস নদীতে রাজকুমারের দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া পুলিশে। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে হাজির হয় মৃতের বাড়িতে। রাজকুমারের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের দাবি বিপ্তি জানিয়েছেন, অন্যান্যদিনের মতোই শনিবার রাতে রাজকুমার মদ্যপ অবস্থায় ঘরে ফেরে। এরপর তাঁকে মারধর করে। সহ্য করতে না পেয়ে দাদা অনিলকে ডাকে বিপ্তি। সে রাজকুমারকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও কোনও লাভ হয়নি। জানা যায়, সেই সময় রাগের বশে অনিলই শ্বাসরোধ করে খুন করে রাজকুমারকে। তারপর দেহ ফেলে দেয় নদীতে।

[আরও পড়ুন: প্রেমিক ও তার চার সঙ্গী মিলে কিশোরীকে ‘গণধর্ষণ’, মালদহে ব্যাপক চাঞ্চল্য]
বিষয়টি প্রকাশ্যের আসার পর অনিলের বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানে অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, পুলিশ যেতেই তাঁদের থেকে কিছুটা সময় চেয়ে নেয় অনিল। তারপর স্নান করে, পরিস্কার পোশাক পড়ে পুজো সেরে পুলিশের সঙ্গে রওনা হয় থানার উদ্দেশ্যে। এই ঘটনায় বিস্মিত তদন্তকারীরা। এবিষয়ে মালবাজার থানার আইসি সুজিত লামা জানিয়েছেন, “মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। এদিন মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি পাঠিয়েছে পুলিশ।”
[আরও পড়ুন: পরকীয়া সম্পর্কে পথের কাঁটা, মায়ের হাতেই খুন ছেলে]
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যপালের দিকে পিছন ঘুরে দাঁড়ানোর ‘শাস্তি’! ৪ বছর ধরে কুচকাওয়াজে ব্রাত্য মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়া
-
সাহগেল হোসেনের ফ্ল্যাটে উদ্ধার সোনা, বিপুল সম্পত্তির নথি! আটক অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে নদিয়ায় জোড়া খুন! গুলিতে ঝাঁঝরা কংগ্রেস নেতা এবং তাঁর ছেলে
-
অন্ধপ্রদেশ থেকে ২০০ আইফোন চুরি! বাংলাদেশে পাচারের আগেই ফরাক্কায় ধৃত চার কীর্তিমান
-
‘ডিম থেরাপি’ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলল এবিভিপি, উপাসনার উপর হামলা নিয়ে কী বক্তব্য?