স্টাফ রিপোর্টার: কংগ্রেস ছেড়ে যাঁরা তৃণমূলে গিয়েছেন, তাঁদের সংগঠনে কী পদ দেওয়া হয়েছে, তা ওয়েবসাইটে প্রকাশের দাবি জানালেন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান৷
মঙ্গলবার বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেন, “যাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে গিয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে, তাঁদের কোর কমিটিতে নেওয়া হয়েছে, এমন তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে৷ এই অবস্থায় ওই নেতাদের নাম ওয়েবসাইটে প্রকাশ করুক তৃণমূল৷” তাঁর ব্যাখ্যা, “কংগ্রেসের ওয়েবসাইটে ওই নেতাদের পদ দেওয়া আছে৷ ফলে এক ব্যক্তি দুই দলের পদে থাকতে পারেন না৷”
নাম না করে কার্যত মানস ভুঁইয়া ও মহম্মদ সোহরাবের দিকে আঙুল তুলেছেন মান্নান৷ মানস ও সোহরাব ২০ সেপ্টেম্বর কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন৷ তাঁদের দলীয় পদও দেওয়া হয়৷ তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর কংগ্রেস বিধায়ক তুষারকান্তি ভট্টাচার্যর সদস্যপদ খারিজের দাবি স্পিকারকে জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা৷ তুষারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পদ্ধতিও শুরু হয়েছে৷ মানস ভুঁইয়া ও রবিউল আলম চৌধুরির বিরুদ্ধেও একই পথ নিতে চলেছে কংগ্রেস৷ দুই বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের দাবি স্পিকারকে জানানো হচ্ছে৷ সিপিএম বিধায়ক দীপালি বিশ্বাসেরও বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী৷ অন্যদিকে দলত্যাগ আইনের সংশোধন চেয়ে এই সপ্তাহেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করছেন মান্নান৷ একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, “যে বিধায়করা দল ছাড়ছেন তাঁদের বিরুদ্ধে কোন জনগণ আদালতে মামলা রুজু করলে সব রকম সাহায্য করা হবে৷”
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ