Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
El Nino

আগামী ৬ মাসে সুপার এল নিনো কাড়বে সাড়ে ৪ লক্ষ প্রাণ! রিপোর্ট ঘিরে আতঙ্ক

এল নিনো। এটি একটি স্প্যানিশ শব্দ। যার অর্থ ‘শিশু’। সেই শিশু আবহাওয়ামণ্ডলে নানা গোলযোগ পাকায় নিয়মিত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৬:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৬:৫৯

options
link
আগামী ৬ মাসে সুপার এল নিনো কাড়বে সাড়ে ৪ লক্ষ প্রাণ! রিপোর্ট ঘিরে আতঙ্ক zoom
ছবি: এআই।
Advertisement

নাম তার এল নিনো। বহুদিন ধরেই যে আবহাওয়ার নানারকম খামখেয়ালিপনার নেপথ্যে। এবার ভয়াল চেহারা নিয়ে সে হয়ে উঠবে সুপার এল নিনো (El Nino)! আর আগামী ৬ মাসে সাড়ে চার লক্ষ মানুষকে ঠেলে দেবে মৃত্যুগহ্বরে! এমনই চমকপ্রদ দাবি ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের।

বলে রাখা ভালো, ‘ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাব’ হল একটি যৌথ গবেষণা উদ্যোগ, যা জলবায়ু বিজ্ঞান, অর্থনীতি এবং তথ্য বিশ্লেষণকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বজুড়ে মানুষ, অর্থনীতি ও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর উপরে জলবায়ু পরিবর্তন ও চরম আবহাওয়ার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করে। এই সংস্থার তরফেই একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ইতিমধ্যে ঘটে যাওয়া মৃত্যুকে এর মধ্যে ধরা হচ্ছে না। বরং সেপ্টেম্বর থেকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কালেই ওই পরিমাণে প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বলা হয়েছে, ভারত থেকে নাইজিরিয়া হয়ে আমেরিকা পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী এল নিনোর প্রভাবে সৃষ্টি হবে খরা, দাবানল ও বন্যা। এর ফলপ্রসূ চার লক্ষ ৫১ হাজার মানুষের মৃত্যু।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Super El Niño may cause 451,000 excess deaths worldwide in six months, with major El Niño impact on Indian weather.
ছবি: সংগৃহীত

হিসেব বলছে, আফ্রিকার নাইজেরিয়ায় ৩১,৪০০, সুদানে ১৭,৫০০, নাইজারে ১০,০০০ এবং চাদে ৮,০০০ জনের মৃত্যু হতে পারে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ১৯,৪০০ জনের মৃত্যু হতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফিলিপিন্স, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ায়। অন্যদিকে কেবল ইন্দোনেশিয়াতেই এই সংখ্যা ১৯,৩০০ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ব্রাজিলে মৃত্যু হতে পারে ১৩ হাজার ৩০০ জনের। ভারতের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা হতে পারে ১৫ হাজার ৮০০! এই রিপোর্ট ইতিমধ্যে নথিভুক্ত মৃত্যুর কোনও পূর্বাভাস নয়। বরং ১৯৯৬–২০২৫ সময়কালকে ভিত্তি ধরে গবেষকরা একটি সাধারণ বছরে যে পরিমাণ মৃত্যুর প্রত্যাশা করতেন, তার তুলনায় অতিরিক্ত কতজন মানুষ তাপজনিত কারণে প্রাণ হারিয়েছেন, এটি মূলত সেটার কথাই বলছে।

ঠিক কী এই এল নিনো? প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পেরুর পাশে ভূপৃষ্ঠের উত্তপ্ত হওয়াকেই এল নিনো বলে। এল নিনোর ধাক্কায় সমুদ্রের তাপমাত্রা ৪-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বেড়ে যেতে পারে। মোটামুটি ২ থেকে ৭ বছর অন্তর এল নিনোর প্রভাবে সারা বিশ্বের আবহাওয়াই প্রভাবিত হয়। এবার ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম’-এর মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলি জানিয়েছে, এল নিনো কেবলই একটা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সূচক মাত্র হয়ে থাকছে না।

বরং তা এবার দেশের কৃষি, শক্তিক্ষেত্র, পরিবহণ, খাদ্য সংকটে প্রবল প্রভাব ফেলতে চলেছে। বলা হচ্ছে, এল নিনো এখনও তার সর্বোচ্চ আকার ধারণ করেনি। আশঙ্কা, নভেম্বর-ডিসেম্বরে তা সবচেয়ে ভয়াল আকার নিতে পারে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.