Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Election Commission

‘নাটক বন্ধ হোক’, কমিশনে ‘ভোটচুরি’ বিতর্কে টিএন সেশন তুলে কংগ্রেসকে পালটা বিজেপির

অহেতুক ভোটচুরির নাটক করে নির্বাচন কমিশনকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দাবি বিজেপির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৭:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৭:৪২

options
link
‘নাটক বন্ধ হোক’, কমিশনে ‘ভোটচুরি’ বিতর্কে টিএন সেশন তুলে কংগ্রেসকে পালটা বিজেপির zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

অহেতুক ভোটচুরির নাটক করে নির্বাচন কমিশনকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে’ প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে এবার পালটা কংগ্রেসকেই কাঠগড়ায় তুলল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের সাফ কথা, বারবার ভোটচুরি ভোটচুরি করাটা এবার বন্ধ হোক। কমিশনে যদি কোনও দুর্নীতি হয়ে থাকে, তাহলে সেটা হয়েছে কংগ্রেস আমলে। পদের লোভে কাজ করাটা কংগ্রেসই শিখিয়েছে।

বুধবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম বুধবার বিস্ফোরক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনে ঘোরতর ভিন্নমতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে! অপর দুই কমিশনারের বক্তব্য উপেক্ষা করে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার গত ১০ মাসে বিভিন্ন বিষয়ে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের লিখিত আপত্তি জানিয়েছিল দুই নির্বাচন কমিশনার। ভোটার তালিকায় নতুন নাম সংযোজন, বাদ দেওয়া, বাদ দেওয়া নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় সংযোজনের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশীর সম্মতি ছিল না। যা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটে গিয়েছে। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিরোধীরা একযোগে নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়রা একসুরে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন। বিজেপির দিকে নিশানা করে বিরোধীদের বক্তব্য, গেরুয়া শিবির যে চুরি করেই ভোটে জিতছে, সেটা এবার প্রমাণিত হয়ে গেল। বিতর্কের মধ্যে কমিশন জানিয়েছে, “কমিশন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে। কোনও বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে ভিন্ন মত থাকা অস্বাভাবিক নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই ধরনের আলোচনা ও মতবিনিময় হয়। কমিশনের ৩ সদস্যের পাশাপাশি অন্য আধিকারিকরাও নিজেদের মতামত স্বাধীনভাবে জানাতে পারেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় ঐক্যবদ্ধভাবেই।”

এবার মুখ খুলল বিজেপিও। বিজেপি সাংসদ সম্বিত পাত্র সাংবাদিক সম্মেলন করে বললেন, “নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গড়বড় আছে, এই ধারণাটা ভাঙা দরকার। বারবার ভোট চুরি করে জিতছি, এই ভ্রান্ত ধারণা বন্ধ করতে হবে। কংগ্রেস এবং শরিকদের মিথ্যার চক্রব্যূহ একেবারে নিচের স্তর পর্যন্ত ভাঙতে হবে।” পাত্রর দাবি, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি যদি কোথাও হয়ে থাকে তাহলে সেটা হয়েছে কংগ্রেস আমলে। দুর্নীতির জন্মই কংগ্রেস থেকে হয়েছে। ১৯৫৮ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত একের পর এক উদাহরণ তুলে সম্বিত দাবি করেন, কংগ্রেস আমলে বহু নির্বাচন কমিশনারকে আনুগত্যের উপহার দেওয়া হয়েছে। সেই কেভিকে সুন্দরন থেকে নবীন চাওলা পর্যন্ত কোন নির্বাচন কমিশনার পরে সরাসরি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন, কে সরকারি পুরস্কার পেয়েছেন, কে অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিং পেয়েছেন, সব উদাহরণ তুলে ধরেছে বিজেপি। সম্বিত পাত্র সবচেয়ে বড় উদাহরণ দিয়েছেন, প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশনের। তিনি কংগ্রেসের হয়ে ১৯৯৬ নির্বাচন লড়েছিলেন। টিএন সেশন নিজের সহকারী নির্বাচন কমিশনারদের ‘গাধা’ ও ‘বোকা’ বলেছিলেন। সে সময় রীতিমতো বিতর্কও হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.