Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Gyanesh Kumar

কমিশনারদের ‘মতানৈক্য’ প্রকাশ্যে আসতেই জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবি বিরোধীদের, অন্তর্কলহ অস্বীকার কমিশনের

‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে’র একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন বিষয়ে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের লিখিত আপত্তি জানিয়েছিল দুই নির্বাচন কমিশনার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৭:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৭:২৯

options
link
কমিশনারদের ‘মতানৈক্য’ প্রকাশ্যে আসতেই জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবি বিরোধীদের, অন্তর্কলহ অস্বীকার কমিশনের zoom
কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ফাইল ছবি।
Advertisement

নির্বাচন কমিশনে ভিন্নমত! অপর দুই কমিশনারের বক্তব্য উপেক্ষা করে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হতেই জাতীয় রাজনীতিতে রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটে গিয়েছে। সম্মিলিত সুরে বিরোধীরা বলছেন, জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। বাংলা, বিহার-সহ একাধিক রাজ্যের নির্বাচন বাতিল করতে হবে। বিরোধীদের সেই আক্রমণের মুখে এবার বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কমিশন। জ্ঞানেশ কুমাররা জানালেন, কমিশনের যে কোনও সিদ্ধান্তেই ভিন্নমতের অবকাশ রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এবং ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে।

বুধবার সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে’র একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন বিষয়ে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার। ভোটার তালিকায় নতুন নাম সংযোজন, বাদ দেওয়া, বাদ দেওয়া নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় সংযোজনের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশীর সম্মতি ছিল না। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, দুই নির্বাচন কমিশনার ফর্ম ৬-এ আনা পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ছিলেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ওই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর প্রত্যাশিতভাবেই কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু করেছে বিরোধী শিবির। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলছেন, ভোটচুরি ভারতের জনগণের বিরুদ্ধে হওয়া একটি অপরাধ। এটা আমাদের সংবিধানের বিরুদ্ধেও সরাসরি আক্রমণ। রাহুলের সাফ কথা, “নির্বাচন কমিশনার মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। এটা দেশদ্রোহিতা। আপনাদের ধরবই, রক্ষা পাবেন না।” একই সুরে আক্রমণ করেছে আম আদমি পার্টি, সমাজবাদী পার্টি, মমতা তৃণমূলও। মমতা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে এখনই বরখাস্ত করা উচিত। একই সঙ্গে দালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত হওয়া দরকার।”

শেষ বিতর্কের মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, “কমিশন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে। কোনও বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে ভিন্ন মত থাকা অস্বাভাবিক নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই ধরনের আলোচনা ও মতবিনিময় হয়। কমিশনের ৩ সদস্যের পাশাপাশি অন্য আধিকারিকরাও নিজেদের মতামত স্বাধীনভাবে জানাতে পারেন।” কমিশনের দাবি, গত ১০ মাসের কিছু অভ্যন্তরীণ নোট বা পর্যবেক্ষণ আলাদা করে দেখলে পুরো বিষয়টির একটা মাত্র দিক দেখানো হয়। এই সময় কমিশন অজস্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৪০টি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন এবং এসআইআর-ও রয়েছে। কমিশন বলছে, “কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সদস্যদের ভিন্নমত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। এটা গোটা প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত ও স্বচ্ছ্ব করে।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.