Nadia

ইউটিউবে পড়াশোনা! মেধার জোরে ইসরোয় কাজের সুযোগ নদিয়ার অ্যাম্বুল্যান্স চালকের

নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকলে যে প্রতিকূলতাকেও জয় করা সম্ভব তা দেখিয়ে দিলেন নদিয়ার গাংনাপুরের দেবজিৎ ভদ্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ২০:৪৫

options
link
ইউটিউবে পড়াশোনা! মেধার জোরে ইসরোয় কাজের সুযোগ নদিয়ার অ্যাম্বুল্যান্স চালকের
নদিয়ার দেবজিৎ ভদ্র। নিজস্ব ছবি

নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকলে যে প্রতিকূলতাকেও জয় করা সম্ভব তা দেখিয়ে দিলেন নদিয়ার গাংনাপুরের দেবজিৎ ভদ্র। অ্যাম্বুল্যান্স চালক থেকে ইসরোতে কাজের সুযোগ পেলেন যুবক। সাফল্যের নেপথ্যে একটা বড় ভূমিকা ইউটিউবের।

Advertisement

শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালকের কাজ করতেন দেবজিৎ। স্বপ্ন ছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোতে কাজ করার। কিন্তু দিনের একটা বড় সময় কেটে যেত কর্মস্থলে। প্রায় ১২ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স চালানোর দায়িত্ব সামলেও নিজের স্বপ্নকে হারিয়ে যেতে দেননি তিনি। কাজের ফাঁকে এবং অবসর সময়ে নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছেন। ইউটিউব দেখে পড়াশোনা করেছেন। কোচিং সেন্টারের সাহায্যও নিয়েছেন। নিজেকে ধীরে ধীরে তৈরি করেছেন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য। তবে স্বপ্নপূরণের পথ মোটেই সহজ ছিল না। একাধিকবার পরীক্ষায় সফল হতে পারেননি তিনি। পাঁচ-ছয়বার ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে তাতে হাল ছাড়েননি দেবজিৎ। শেষ পর্যন্ত মিলল সাফল্য। ইসরোর সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার, শ্রীহরিকোটায় ‘টেকনিশিয়ান বি’ পদে যোগ দিতে চলেছেন দেবজিৎ ভদ্র।

Advertisement

দেবজিতের মা চায়না ভদ্র বলেন, সংসারে অভাব-অনটন থাকলেও ছেলের স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াননি তিনি। বরং ছেলেকে সবসময় এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দিয়েছেন। ছেলের এই সাফল্য তাঁর কাছে দীর্ঘদিনের কষ্টের সবচেয়ে বড় প্রতিদান। বাবা দীপক ভদ্রও ছেলের নতুন কর্মজীবন নিয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। ছেলের ইসরোতে যোগদানের খবর পরিবারে খুশির আবহ তৈরি করেছে। স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা ভদ্রও স্বামীর এই সাফল্যে গর্বিত। তাঁর স্বামীর দীর্ঘদিনের পরিশ্রম অবশেষে সার্থক হয়েছে বলেই মনে করছেন পরিবারের সদস্যরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.