ডেঙ্গু ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর কাছে ক্ষমা চান, টুইটারে সরব বাবুল

তাঁর অভিযোগ, স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে হাসপাতালগুলিকে রোগীর প্রেসক্রিপশনে ডেঙ্গু উল্লেখ করতে না বলা হচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৭, ০৫:০৩

options
link
ডেঙ্গু ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর কাছে ক্ষমা চান, টুইটারে সরব বাবুল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। রোগীর প্রেসক্রিপশনে ডেঙ্গুর বদলে অ্যাকিউট ফেবরাইল ইলনেস বা অজানা জ্বর লেখার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে নির্দেশ আসছে। এই অভিযোগে এবার নেটদুনিয়ায় সরব হলেন বাবুল। আসানসোলের বিজেপি সাংসদের অভিযোগ, রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে ডাক্তার, হাসপাতালগুলিকে রোগীর প্রেসক্রিপশনে ডেঙ্গু উল্লেখ করতে না বলা হচ্ছে। মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী ও সরকারের উচিত সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া। এই বলে রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা করেছেন বাবুল।

Advertisement

[ডেঙ্গুর ছদ্মবেশে রাজ্যে হানা মারণ ‘ব্রুসেলা’র]

যদিও রাজ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজার ছাড়িয়েছে বলে মঙ্গলবার তথ্য দিয়েছে খোদ রাজ্য সরকার। মুখ্যসচিব মলয় দে নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১৮,২৩৮ জন বলে জানিয়েছেন। এমনকী এখনও পর্যন্ত ৩৪ জনের ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে বলেও স্বীকার করেছেন তিনি। তাহলে কেন স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে ডাক্তার ও হাসপাতালগুলিকে এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সাধারণ মানুষ সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে টুইটারে সরব হয়েছেন বাবুল। তাঁর বক্তব্য, ডেথ সার্টিফিকেটেও একই জিনিস লেখার জন্য চাপ আসছে হাসপাতালগুলির উপর। এতে পরবর্তীকালে সমূহ বিপদ আসতে পারে, আশংকা করেছেন বাবুল।

Advertisement

বিগত কয়েকদিন ধরেই ডেঙ্গু নিয়ে বিরোধীদের রোষের মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার। তাঁদের অভিযোগ ছিল, গোটা রাজ্যে ডেঙ্গু ক্রমশই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। প্রতিদিন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা, বসিরহাট, বাদুড়িয়ার মতো এলাকায় এখন কার্যত ঘরে ঘরে ডেঙ্গু রোগী। আতঙ্কে ঘরছাড়া বহু মানুষ। খাস কলকাতাতেও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি হাসপাতাল কিংবা পুর ক্লিনিকগুলিতে পরিকাঠামোর অভাব স্পষ্ট। তবুও চুপ রাজ্য সরকার। ডেঙ্গুর সম্পর্কে ঠিক তথ্যও জানাচ্ছে না তাঁরা। এই অভিযোগের জবাব দিতেই হয়ত সেদিন সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুখ্যসচিব। কিন্তু এর পরেও স্বাস্থ্য দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিরোধী দলগুলি। বাবুলের টুইট সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.