Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬

ইরানের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা! ‘তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করুন, না হলে…’, বিশ্বনেতাদের হুমকি আমেরিকার

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বেসেন্ট বলেন, “ইরান যে সমস্ত অর্থনৈতিক উৎসের মাধ্যমে আয় করে এবং আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যায়। সেগুলি বন্ধ করতেই এই সিদ্ধান্ত। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হল - তেহরানের টিকে থাকা আর্থিক জীবনরেখা বিচ্ছিন্ন করা। তেহরানের সঙ্গে লেনদেনকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে ইরানের সঙ্গে তাদের এই সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করা।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ২৩:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ২৩:৫২

options
link
ইরানের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা! ‘তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করুন, না হলে…’, বিশ্বনেতাদের হুমকি আমেরিকার zoom
যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে ইরান। ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

ইরানকে ধূলিস্যাৎ করতে এবার কড়া আমেরিকা। তেহরানের উপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা চাপাল ওয়াশিংটন। সোমবার মার্কিন অর্থ সচিব স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করলেন, তেহরানকে অর্থ পাচারে সহায়তা করা সমস্ত দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে মার্কিন ডলার ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করা হতে পারে। তাঁর সতর্কবার্তা, “এক্ষুনি ইরানের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করুন। না হলে আপনাদের উপরও চাপানো হবে নিষেধাজ্ঞা।”

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বেসেন্ট বলেন, “ইরান যে সমস্ত অর্থনৈতিক উৎসের মাধ্যমে আয় করে এবং আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যায়। সেগুলি বন্ধ করতেই এই সিদ্ধান্ত। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হল – তেহরানের টিকে থাকা আর্থিক জীবনরেখা বিচ্ছিন্ন করা। তেহরানের সঙ্গে লেনদেনকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে ইরানের সঙ্গে তাদের এই সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করা।” তিনি আরও বলেন, “যে সব অর্থনৈতিক উৎসের উপর ভর করে ইরানের স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা এখনও টিকে আছে সেগুলিকে আমরা ধ্বংস করব, যাতে দেশটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।” তবে নির্দিষ্ট কোনও দেশ বা প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করেননি মার্কিন অর্থ সচিব।   

Advertisement

বলে রাখা ভালো, ইরানের অন্যতম বড় সহযোগী দেশগুলি হল চিন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ইত্যাদি। বলা বাহুল্য, যুদ্ধের ছ’মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পর আমেরিকার এই নয়া চালের মূল উদ্দেশ্যই হল ইরানের অর্থনীতিকে ধ্বংস করা। বেসেন্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যে সমস্ত দেশ এই নিষেধাজ্ঞায় শামিল হবে না, তারাও ইরানের মতো বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই তেহরানের উপর অর্থনৈতিক চাপ রয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধি, অর্থনীতির নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে রিয়ালের উপর ক্রমেই চাপ বেড়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। প্রায় ছ’মাস ধরে চলা যুদ্ধের জেরে তলানিতে নেমেছে ইরানি মুদ্রা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.