বঙ্গে পালাবদল
Bangladeshi Infiltration

থ্রি-ডি নির্দেশের পরই বসিরহাট সীমান্তে ভিড়, অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরার হিড়িক!

এর আগে এসআইআর চলাকালীন দেখা গিয়েছিল এমন দৃশ্য। বাংলাদেশে ফেরার জন্য সীমান্তে সার দিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। এবার রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম সীমান্ত এলাকা।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১৮:০৭

options
link
থ্রি-ডি নির্দেশের পরই বসিরহাট সীমান্তে ভিড়, অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরার হিড়িক!
হাকিমপুর চেকপোস্টে অনুপ্রবেশকারীদের ভিড়! নিজস্ব চিত্র

এর আগে এসআইআর চলাকালীন দেখা গিয়েছিল এমন দৃশ্য। বাংলাদেশে ফেরার জন্য সীমান্তে সার দিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। এবার রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম সীমান্ত এলাকা। দ্রুতগতিতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের তাড়াতে কাজ শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি লাগু করতে দিন দুই আগেই জেলায় জেলায় নোটিস পাঠিয়ে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কাজও শুরু হবে বলে খবর। সেই আবহেই বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্টে ফের দেখা গেল। বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় বহু সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর ভিড়!

Advertisement

কয়েক মাস আগেও এসআইআর ঘোষণার পর একইভাবে হাজার হাজার অনুপ্রবেশকারী হাকিমপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিল। তাদের অধিকাংশই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অবৈধভাবে বসবাস করছিল এবং নির্মাণ শ্রমিক, রাজমিস্ত্রির সহকারী, মাছের ভেড়ি ও অন্যান্য দৈনিক মজুরির কাজে যুক্ত ছিল বলে জানা যায়। সোমবার দুপুরে বিথারী হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় দেখা যায়, বহু মহিলা-পুরুষ ও যুবক ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে সীমান্তের কাছে অপেক্ষা করছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের দাবি, এক থেকে দেড় বছর আগে দালালচক্রের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে তাঁরা এ রাজ্যে এসেছিল। বিভিন্ন এলাকায় কাজ করলেও বর্তমানে প্রশাসনিক কড়াকড়ি বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিথারী হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় দেখা যায়, বহু মহিলা-পুরুষ ও যুবক ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে সীমান্তের কাছে অপেক্ষা করছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের দাবি, এক থেকে দেড় বছর আগে দালালচক্রের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে তাঁরা এ রাজ্যে এসেছিল! 

স্থানীয় একাংশের বাসিন্দাদের দাবি, এসআইআরের পরবর্তী সময়ে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং বিভিন্ন এলাকায় সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার জেরেই আতঙ্কে বহু অনুপ্রবেশকারী এলাকা ছাড়ছেন! প্রশাসনের সূত্রে যদিও এই বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদারের কথা স্বীকার করেছেন কয়েকজন আধিকারিক।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.