Bird Flu

চারদিনেই মৃত ২৫০০ মুরগি! বার্ড ফ্লু’র আতঙ্কে কাঁটা কাটোয়াবাসী

মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২১, ১৫:৫১

options
link
চারদিনেই মৃত ২৫০০ মুরগি! বার্ড ফ্লু’র আতঙ্কে কাঁটা কাটোয়াবাসী

ধীমান রায়, কাটোয়া: একের পর এক পোলট্রিতে প্রচুর সংখ্যক মুরগির মৃত্যুতে নতুন করে বার্ড ফ্লু’র আতঙ্ক ছড়াল পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) কাটোয়ায়। পোলট্রি মালিকদের দাবি, তিন-চারটি ফার্ম মিলে গত চার-পাঁচদিনের মধ্যে প্রায় ২৫০০ মুরগি মারা গিয়েছে কাটোয়া ১ ব্লকের কোশিগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার চুরপুনি গ্রামে। ফলে ক্ষতির মুখে তাঁরা।

Advertisement

চুরপুনি গ্রামের বাসিন্দা চিন্ময় চন্দ দীর্ঘদিন ধরে মুরগি পালন করছেন। তিনি জানান, তাঁর ফার্মে ২৫০০ মুরগি ছিল। বিক্রির আগে মড়কের ফলে প্রায় সবটাই শেষ হয়ে গিয়েছে। চিন্ময়বাবু বলেন, “দিন কয়েক আগে একটা দুটো করে মুরগি মারা যাচ্ছিল। মুরগিপালনে এই মৃত্যু স্বাভাবিক বিষয় বলে গুরুত্ব দিইনি। কিন্তু পরে দেখি এই কয়েকদিনে রোজ গড়ে ৩৫০-৪০০টি করে মুরগি মারা যেতে থাকে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ফার্ম খালি হয়ে গেল।” স্থানীয় ফার্ম মালিকরা জানান, যে হ্যাচারি থেকে মুরগির বাচ্চা আনা হয় ওই সংস্থাকে জানানো হয়েছিল। তাঁরা প্রতিরোধের পরামর্শ দিলেও তাতে কাজ হয়নি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘তৃণমূলের সরকার গড়ার’ মন্তব্য নিছকই ‘স্লিপ অফ টাং’, সাফাই বিজেপি নেতা সুনীল মণ্ডলের]

অন্য এক ফার্ম মালিক সুমেশ দে জানান, প্রায় ১০০০ মুরগি মারা গিয়েছে তাঁর ফার্মেও। তিনি বলেন,”বিগত কয়েকদিনে আমার ফার্মেও মুরগি মারা গিয়েছে ব্যাপক হারে। এলাকার অনেকেই ভাবছেন বার্ড ফ্লু হয়েছে। তবে কোনরোগের কারণে এটা ঘটছে জানি না।” স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন গ্রামবাসীরাও। তাঁদের দাবি মুরগির মড়কের কারণ খতিয়ে দেখা হোক। এবিষয়ে কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের প্রাণিসম্পদ বিকাশ আধিকারিক মনসুর আলি শেখ বলেন, ”মুরগির মৃত্যুর খবর আমাদের এখনও পর্যন্ত কেউ জানায়নি। তবে অবশ্যই বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। পাশাপাশি অন্যান্য ফার্মগুলিকে প্রয়োজনে সতর্ক করা হবে।” 

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্যের হিন্দিভাষী এলাকায় প্রার্থী দিতে চায় RJD, ‘আসনরফা’ নিয়ে মমতার সঙ্গে বৈঠকে তেজস্বী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.