Durgapur

বঙ্গ রাজনীতিতে কোণঠাসা! দুর্গাপুরে তৃণমূলের প্রতীকী শ্রাদ্ধ করল বিজেপি

দলের নাম, প্রতীক আপাতত হাতছাড়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূল কংগ্রেসের অস্বিত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কালীঘাট তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থীও ভোটে লড়ছেন না।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১৪:৪৫

options
link
বঙ্গ রাজনীতিতে কোণঠাসা! দুর্গাপুরে তৃণমূলের প্রতীকী শ্রাদ্ধ করল বিজেপি
সিটি সেন্টারের সামনে চলছে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান। নিজস্ব চিত্র

দলের নাম, প্রতীক আপাতত হাতছাড়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূল কংগ্রেসের অস্বিত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মধ্যে। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কালীঘাট তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থীও ভোটে লড়ছেন না। সেইসব বিষয়কে সামনে রেখেই এবার তৃণমূলকে আক্রমণ, কটাক্ষ করে কর্মসূচি নিল বিজেপি। তৃণমূলের প্রতীকী শ্রাদ্ধ করল বিজেপি! ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের (Durgapur) সিটি সেন্টার এলাকায়।

Advertisement

‘বল হরি, হরি বোল’, নাড়া তোলেন বিজেপি কর্মীরা। আজ, শনিবার সকালে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়। রাস্তাতেই একট নির্দিষ্ট অঞ্চলকে বেছে নিয়ে আগুন জ্বালিয়ে প্রতীকী শেষকৃত্য করা হয় বিজেপির তরফে। সেখানেই শেষ নয়, নিয়ম মেনে শ্রাদ্ধ-শান্তির আয়োজনও করা হয়। শ্রাদ্ধের আয়োজনে ধান, ডিম, কলা থেকে বালি, কয়লা সবই ছিল। আনা হয়েছিল পুরোহিতও।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সিটি সেন্টারে আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের ভবনের সামনে বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলের প্রতীকী শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে বসেন। পুরোহিতের উপস্থিতিতে চলে নানা আচার। এরপর আগুন জ্বালিয়ে প্রতীকীভাবে তৃণমূলের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। শেষকৃত্যের পর আয়োজন করা হয় শ্রাদ্ধশান্তির। চেয়ারে স্লোগান লিখে তিনটি ছবির আকারে সেগুলি রাখা হয়েছিল। শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে রাখা হয় ধান, ডিম, কলা, বালি ও কয়লা। বিজেপির দাবি, তৃণমূলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন অভিযোগকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরতেই এই সামগ্রীগুলি রাখা হয়েছে। এই কর্মসূচি নিয়ে জেলা বিজেপির মুখপাত্র সুমন্ত মণ্ডল বলেন, “এখনও তৃণমূল প্রেতাত্মা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। শেষবেলায় ডিম খেয়েছে অনেক, সেজন্য আমরা ডিম রেখেছি। আর একসময় বালি, কয়লা সব খেয়েছে। তাই শ্রাদ্ধ করার পর একেবারে বিসর্জন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এই সমস্ত সামগ্রী রেখে আমরা তৃণমূলকে শেষ বিদায় জানালাম।”

Advertisement

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.