BJP leader Tanushree Roy left party

চরমে অন্তর্দ্বন্দ্ব, এবার দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা বিজেপি মহিলা মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি

'ক্ষুব্ধ' নেত্রীর দাবি, "বিজেপি এখন তৃণমূলেরই বি টিম।"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২২, ০৯:৩৩

options
link
চরমে অন্তর্দ্বন্দ্ব, এবার দল ছাড়লেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা বিজেপি মহিলা মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপির অন্দরের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ যেন ক্রমশ ঘটছে। যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিব্রত গেরুয়া শিবির। এই পরিস্থিতিতেই এবার দলত্যাগ করলেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা বিজেপি মহিলা মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি তনুশ্রী রায়। ‘ক্ষুব্ধ’ নেত্রীর দাবি, “বিজেপি এখন তৃণমূলেরই বি টিম।”

Advertisement

২০০৮ সাল থেকে বিজেপির সক্রিয় সদস্য হিসাবে কাজ করছেন তনুশ্রী রায়। ২০১৩ সালে রাজ্য মহিলা মোর্চার সভাপতি হন। জেলার নানা দলের কাজে একেবারে প্রথম সারিতেই দেখা যেত তাঁকে। তবে বুধবার সেই প্রথম সারির নেত্রীই যেন বোমা ফাটালেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন পদত্যাগপত্রের ছবি। বঙ্গ বিজেপির বিরুদ্ধে উগড়ে দিলেন ক্ষোভ। দলত্যাগের সিদ্ধান্ত কেন নিলেন, সে কারণও ব্যাখ্যা করেন বিজেপি নেত্রী। তাঁর কথায়, “তৃণমূলের বি টিম বিজেপি। তৃণমূল ও বিজেপির কাজে কোনও ফারাক আর নেই। বিজেপির চলন বাঁকা। সে কারণেই বিজেপি ত্যাগ করলাম।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: বোতলে বাতকর্ম বিক্রি করে মোটা টাকা উপার্জন! তরুণীর পরিণতি কী হল জানেন?]

স্ত্রী দল ছেড়ে দিয়েছেন ঠিকই। তবে দলত্যাগের প্রসঙ্গে একটি শব্দও খরচ করেননি বিজেপির বর্তমান জেলা সভাপতি নবারুণ নায়েক। এ বিষয়ে একটি মন্তব্যও করতে চান না বলেই প্রসঙ্গ এড়িয়েছেন। ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি স্বামীর এহেন প্রতিক্রিয়ার পালটা জবাবও দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, নবারুণ নায়েক যথেষ্ট গুরুত্ব পান দলে। তবে তিনি নিজে গুরুত্ব পান না। সে কারণেই দলত্যাগ। এদিকে, তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় আবার দাবি করেছেন তিনি নাকি দলত্যাগের ব্যাপারটি জানেনই না।

Advertisement

গত বছরের শেষের দিকে বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতির নামের তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। আর তারপর থেকেই দলীয় নেতানেত্রীর অসন্তোষের জেরে শিরোনামে পদ্মশিবির। তালিকা প্রকাশের পর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ (WhatsApp Group) থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার পাঁচ বিধায়ক (MLA)। তাঁরা হলেন বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া, গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী ও কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায়। গত সোমবার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন শান্তনু ঠাকুর। এরপর মঙ্গলবার বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়ে ঠাকুরবাড়িতে গোপন বৈঠকও সারেন তিনি। শান্তনু ঠাকুরের পর বিধায়কদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনিও বঙ্গ বিজেপি নেতৃ্ত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। বিশেষত প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে উষ্মাপ্রকাশ করেছেন। প্রকট অন্তর্দ্বন্দ্ব। এই পরিস্থিতিতে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা বিজেপি মহিলা মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি তনুশ্রী রায়ের দলত্যাগ যে আরও অস্বস্তি বাড়াল, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

[আরও পড়ুন: মল ত্যাগ না করে এবার দান করুন! চাহিদা তুঙ্গে, কেন জানেন?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.