Rampurhat

ভোটের আগেই প্রকাশ্যে গোষ্ঠী কোন্দল! শান্তিপুরে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল বিজেপি মণ্ডল সভাপতিকে

শনিবার ব্রিগেডে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, রবিবার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা কমিশনের। তার আগেই নদিয়ায় বিজেপির অন্দরের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল! বিজেপির মণ্ডল সভাপতিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল বলে খবর। ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২৬, ১৯:২১

options
link
ভোটের আগেই প্রকাশ্যে গোষ্ঠী কোন্দল! শান্তিপুরে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল বিজেপি মণ্ডল সভাপতিকে
পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল গৌরাঙ্গ বিশ্বাসকে। নিজস্ব চিত্র

শনিবার ব্রিগেডে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, রবিবার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Assembly Election 2026) সময়সূচি ঘোষণা কমিশনের। তার আগেই নদিয়ায় বিজেপির অন্দরের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল! বিজেপির মণ্ডল সভাপতিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল বলে খবর। ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। বহিষ্কৃত গৌরাঙ্গ বিশ্বাস নদিয়ার শান্তিপুর বেলঘড়িয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য ও মণ্ডল সভাপতি ছিলেন।

Advertisement

অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় বিজেপির অন্দরে কোন্দল দেখা দিয়েছিল। স্থানীয় নেতাদের মধ্যে বাদানুবাদ চলছিল! গৌরাঙ্গ বিশ্বাস নিজের মতো কাজকর্ম পরিচালনা করছিলেন বলে অভিযোগ। নির্বাচনের কমিটি গঠন নিয়েও দলের অন্যান্যদের সঙ্গে তাঁর বিরোধ দেখা দেয়! বিধানসভা নির্বাচনের আগে ওই এলাকায় বিজেপির কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসছিল বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত গৌরাঙ্গ বিশ্বাসকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল।

Advertisement

দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় বিজেপির অন্দরে কোন্দল দেখা দিয়েছিল। স্থানীয় নেতাদের মধ্যে বাদানুবাদ চলছিল! গৌরাঙ্গ বিশ্বাস নিজের মতো কাজকর্ম পরিচালনা করছিলেন বলে অভিযোগ।

জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগেই তাকে শান্তিপুর মণ্ডল ২-এর সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকেই দলের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্য দেখা দেয়! স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ওই মতানৈক্য ক্রমশ সামনে আসতে থাকে বলে অভিযোগ। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। ওই এলাকায় বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক ও ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। শেষপর্যন্ত জানা গিয়েছে, পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল।

Advertisement

গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের অভিযোগ, তিনি মণ্ডল সভাপতি হওয়ার পর থেকেই দলের একাংশ তাঁকে ঠিকমতো কাজ করতে দিচ্ছিল না। বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচি, বৈঠকেও অনেক সময় ডাকা হত না! গৌরাঙ্গ বিশ্বাস জানান, সম্প্রতি নির্বাচন কমিটি গঠন নিয়ে দলেরই একাংশের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ হয়। দলের কিছু কর্মীর সঙ্গে বচসাও হয়! ক্রমে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। গৌরাঙ্গর দাবি, গত ১০ মার্চ তাঁর বিরুদ্ধে একটি চিঠি জমা পড়ে। তিনি ১১ মার্চ সেই চিঠি হাতে পান। সেখানে সাতদিনের মধ্যে উত্তর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরনোর আগেই ১৩ মার্চ তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল।

গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের অভিযোগ, তিনি মণ্ডল সভাপতি হওয়ার পর থেকেই দলের একাংশ তাঁকে ঠিকমতো কাজ করতে দিচ্ছিল না। বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচি, বৈঠকেও অনেক সময় ডাকা হত না!

যদিও দলের অন্য পক্ষ এই বিষয় নিয়ে মুখ খোলেননি। ভোটের আগে কি এই ঘটনা বিজেপির অন্দরে কোন্দল আরও বাড়াল? এই ঘটনাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের দাবি, এটি নতুন কিছু নয়, গোটা রাজ্যজুড়ে বিজেপির মধ্যে এই ধরনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রায়ই দেখা যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.