Rampurhat

পেটে ব্যথা নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে, ভুল ইনজেকশনে মৃত্যু বালকের! মৃতদেহ রাস্তায় রেখে বিক্ষোভ

প্রবল পেটে ব্যথার জন্য বালককে নিয়ে ডাক্তাদের চেম্বারে গিয়েছিল পরিবারের লোকজন। সেখানে ব্যথা কমানোর জন্য পরপর দু'টি ইনজেকশন দেওয়া হয়। তার কিছু সময়ের মধ্যেই নিথর হয়ে যায় ওই বালকের দেহ!

বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৮:৩৮

options
link
পেটে ব্যথা নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে, ভুল ইনজেকশনে মৃত্যু বালকের! মৃতদেহ রাস্তায় রেখে বিক্ষোভ
ছেলের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা। ছবি - সুশান্ত পাল

প্রবল পেটে ব্যথার জন্য বালককে নিয়ে ডাক্তাদের চেম্বারে গিয়েছিল পরিবারের লোকজন। সেখানে ব্যথা কমানোর জন্য পরপর দু’টি ইনজেকশন দেওয়া হয়। তার কিছু সময়ের মধ্যেই নিথর হয়ে যায় ওই বালকের দেহ! অভিযোগ, ভুল ইনজেকশনে মৃত্যু বালকের। প্রবোল উত্তেজনা ছরায় এলাকায়। মৃতদেহ রাস্তায় রেখে বিক্ষোভও দেখানো হয়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাটে (Rampurhat)। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Advertisement

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাট থানার বেলে নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা বুদ্ধদেব মালের ১১ বছরের ছেলের পেটে প্রবল ব্যথা হচ্ছিল। চিকিৎসার জন্য রামপুরহাটে চিকিৎসক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়ের কাছে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। পরীক্ষা করার পর চিকিৎসক বালককে দুটি ইনজেকশন দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। চিকিৎসকের চেম্বারে থাকা এক যুবক দু’টি ইনজেকশন দেন বলে পরিবারের দাবি। ইনজেকশন দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বালকটি আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি দেখে পরিবারের লোকজন দ্রুত তাকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement

মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, সঠিক চিকিৎসা না হওয়া এবং ভুল ইনজেকশনের কারণেই ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এরপর শিশুটির মৃতদেহ নিয়ে চিকিৎসকের চেম্বারের সামনে পৌঁছন পরিবারের লোকজন। সেখানে মৃতদেহ রেখে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখানো হয়। পরিবারের আরও অভিযোগ, চেম্বারের সামনে শিশুর মৃতদেহ রাখা থাকলেও অভিযুক্ত চিকিৎসক রোগী দেখা বন্ধ করেননি। এই ঘটনায় ক্ষোভ আরও বাড়ে বলে দাবি বিক্ষোভকারীদের।

Advertisement

ঘটনার খবর পেয়ে রামপুরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পরে পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে রামপুরহাট থানায় এদিন বিকেল পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.