CM Suvendu Adhikari

এবার গোটা বাংলায় মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন, কেন এমন সিদ্ধান্ত, কারণ ব্যাখ্যা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে পুরো কলকাতাকেই মিড ডে মিলের দায়িত্ব রাজ্য সরকারের তরফে ইসকনকে দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ১৮:৪২

options
link
এবার গোটা বাংলায় মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন, কেন এমন সিদ্ধান্ত, কারণ ব্যাখ্যা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
রথের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিজস্ব চিত্র

কলকাতার স্কুলগুলির মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসকনকে। তার মেনু নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক। এবার আর শুধু কলকাতায় নয়। নদিয়া তারপর রাজ্যের সর্বত্র মিড ডে মিল চালু হবে। প্রশ্ন ওঠার পরেও কেন ইসকনকেই দেওয়া হল মিড ডে মিল সরবরাহের দায়িত্ব, তা নিয়ে  তুঙ্গে চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার কলকাতার অ্যালবার্ট রোডের ইসকন মন্দিরের রথযাত্রার অনুষ্ঠানে কারণ ব্যাখ্যা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী জানান, “আমরা ইসকন, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ এবং মানুষের সেবায় নিয়োজিত অন্যান্য সংগঠনকে সঙ্গে নিয়েই বাংলার নবনির্মাণের পথে এগোতে চাই। সমাজের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, “একটা ভাল, পুষ্টিকর আহার পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমাদের স্কুলগুলিতে যে ছাত্রছাত্রীরা মিড ডে মিল গ্রহণ করে, তারা মূলত মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের সন্তান। সচ্ছল পরিবারের শিশুদের অধিকাংশই এই প্রকল্পের উপর নির্ভর করে না। তাই অপুষ্টি দূর করতে পুষ্টিকর খাবারের বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে।”

Advertisement

পূর্বতন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে মিড ডে মিল প্রকল্পে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেকথা মনে করিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গে মিড ডে মিল নিয়ে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। শিশুদের খাবার নিয়ে অনিয়ম করা পাপের সমান। আগামী দিনে ইসকন এই দায়িত্ব পালন করে আমাদের শিশুদের কাছে উন্নতমানের পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেবে। সেটাই আমাদের কর্তব্য।”

Advertisement

উল্লেখ্য, গত ২২ জুন বিধানসভায় বিজেপি সরকার তাদের প্রথম বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। এরপরেই সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ”শ্যামাপ্রসাদের দেখানো পথেই বাংলা চলবে। স্বামী বিবেকানন্দের ভাবনায় বাংলা চলবে। রামকৃষ্ণ মিশন, গৌড়ীয় মঠ, ভারত সেবাশ্রম, ইসকনের দেখানো পথে পশ্চিমবঙ্গ চলবে। এই সংস্কৃতির থেকে বিচ্যুতি ঘটবে না। আমরা ইসকনকেই মিড ডে মিল খাবার সরবরাহ করার জন্য উদ্যোগ নিচ্ছি। পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে পুরো কলকাতাকেই দেওয়া হচ্ছে। ইসকন খাওয়াবে। আপত্তি থাকলে হরে কৃষ্ণ বলবেন না। কেউ আপনাদের জোর করবে না। ভালো খাবার পাবেন। শুদ্ধ খাবার পাবেন। চিন্তার কোনও কারণ নেই।” সরকারের এহেন উদ্যোগকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় বিতর্ক। শুধু তাই নয়, কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.