পাঁচ মাস আগে আচমকা হারিয়ে গিয়েছিল মেয়ে। ২৪ বছরের মেয়ের খোঁজ করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কোথাও কেউ কোনও খোঁজ দিতে পারেনি। প্রতি মুহূর্ত কাটছে চরম উদ্বেগে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের মন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়কের দ্বারস্থ হলেন মেয়ের বৃদ্ধ বাবা। বৃহস্পতিবার সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের ‘জনতার দরবারে’ মেয়ের ছবি নিয়ে গেলেন অর্ধেন্দু সিংহ। আবেদন একটাই, মেয়ের হদিশ এনে দিতে হবে। সব শুনে বিধায়ক তথা মন্ত্রীর আশ্বাস, পুলিশ, সিআইডি-র মতো উচ্চস্তরে যোগাযোগ রাখছেন তিনি নিজে। কাজটা সময়সাপেক্ষ হলেও মেয়েকে বাবার কাছে ফিরিয়ে দেবেন।
চলতি বছরের ১৩ মার্চ। সেদিন থেকেই সিউড়ির বাসিন্দা অমৃতা সিংহের কোনও খোঁজ নেই। পুলিশে মিসিং ডায়েরি করা থেকে শুরু করে সম্ভাব্য নানা সূত্র ধরে খোঁজ চালিয়েছেন বাবা অর্ধেন্দু সিংহ। কোথাও কোনও ভবঘুরে তরুণীর সঙ্গে মেয়ের মুখের মিল আছে, শুনলেই ছুটে গিয়েছেন সেখানে। তবুও মেয়ের কোনও সন্ধান মেলেনি। কেটে গিয়েছে কয়েক মাস, অপেক্ষা শেষ হয়নি। প্রতিটি দিনই যেন নতুন করে মেয়েকে খোঁজার লড়াই করেন অর্ধেন্দুবাবু।
আরও পড়ুন:
চলতি বছরের ১৩ মার্চ। সেদিন থেকেই সিউড়ির বাসিন্দা অমৃতা সিংহের কোনও খোঁজ নেই। পুলিশে মিসিং ডায়েরি করা থেকে শুরু করে সম্ভাব্য নানা সূত্র ধরে খোঁজ চালিয়েছেন বাবা অর্ধেন্দু সিংহ। কোথাও কোনও ভবঘুরে তরুণীর সঙ্গে মেয়ের মুখের মিল আছে, শুনলেই ছুটে গিয়েছেন সেখানে। তবুও মেয়ের কোনও সন্ধান মেলেনি। কেটে গিয়েছে কয়েক মাস, অপেক্ষা শেষ হয়নি। প্রতিটি দিনই যেন নতুন করে মেয়েকে খোঁজার লড়াই করেন অর্ধেন্দুবাবু।
এবার সেই আশাতেই তিনি সিউড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের জনতার দরবারে পৌঁছলেন বৃদ্ধ অর্ধেন্দু সিংহ। এদিন সিউড়ি শহরে বিজেপির কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জনতার দরবারে’ পৌঁছে যান তিনি। গলায় তাঁর নিখোঁজ মেয়ের ছবি ও পরিচয় লেখা প্ল্যাকার্ড। একটাই আবেদন, যে কোনওভাবে যেন মেয়েকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। অর্ধেন্দুবাবুর মেয়েকে খুঁজতে ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে বীরভূম জেলা পুলিশ। পরে মামলার দায়িত্ব যায় রাজ্য পুলিশের সিআইডির কাছেও। নিখোঁজের রহস্য উদ্ঘাটনে বিশেষ দলও গঠন করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তদন্তকারীদের হাতে এমন কোনও নির্দিষ্ট সূত্র আসেনি, যা অমৃতার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য দিতে পারে। অর্ধেন্দু সিংহের কথায়, ‘‘এত চেষ্টা করেও মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না। আর কী করব বুঝতে পারছিলাম না। তাই মন্ত্রীর কাছে এসেছি। তিনি ধৈর্য ধরতে বলেছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন, পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”
জনতার দরবারে অর্ধেন্দুবাবুর বক্তব্য শোনার পর জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, অমৃতার নিখোঁজের খবর তাঁর জানা। এনিয়ে অর্ধেন্দুবাবু একাধিকবার তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি বলেন, পুলিশ সুপার ও সিআইডির মিসিং স্কোয়াডের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সারা দেশের নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্যভাণ্ডারেও অমৃতার তথ্য পাঠানো হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, নিখোঁজ হওয়ার সময় অমৃতার কাছে মোবাইল ফোন, এটিএম কার্ড বা অন্য কোনও পরিচয়পত্র ছিল না। ফলে তদন্তে নির্ভরযোগ্য সূত্রের অভাবই সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবুও তিনি আশাবাদী, সময় লাগলেও অমৃতার খোঁজ মিলবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘সব দোষ মমতার, বছরে যা রেভিনিউ তুলেছ…’, কেন ফুঁসছেন দিদির ‘প্রিয়’ কেষ্ট?
-
বড় পর্দায় বাম্পার সুযোগ বাঁকুড়া মিমসের ঘোতনের, ইন্ডাস্ট্রির কোন প্রথা ভাঙতে চান উন্মেষ?
-
দাঁতের ব্যথাকে হালকাভাবে নিচ্ছেন? মস্তিষ্কের জটিলতায় হতে পারে মৃত্যুও!
-
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নিউজিল্যান্ড, জারি সুনামি সতর্কতা
-
‘ভেবেছিলাম, ছেলের নাম রাখব রাম খান’, কেন মনোবাঞ্ছা পূরণ হল না সোহেল খানের?