ভাগ্যের আশীর্বাদ না অদৃশ্য বিপদের পূর্বাভাস? একটি লটারির টিকিট কীভাবে বদলে দেয় এক সাধারণ মানুষের জীবন? সেই গল্পই বলবে ‘ভাগ্যলক্ষ্মী বাম্পার’। প্রথমবার পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবিতে কাজ করলেন বাঁকুড়া মিমসের ঘোতন ওরফে উন্মেষ গঙ্গোপাধ্যায় (Unmesh Ganguly)। ছবি মুক্তির আগে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের সঙ্গে কথা বললেন এই জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর।
প্রথমবার পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবিতে অভিনয়। ‘ভাগ্যলক্ষ্মী বাম্পার’-এর বাম্পার সুযোগ কীভাবে পেলেন?
আরও পড়ুন:
“প্রথমবার পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করলাম। এর আগে কখনও কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ আসেনি। তাই এটা নিঃসন্দেহে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। ২০২২-এ ওয়েব সিরিজে কাজের পর ভেবেছিলাম ভবিষ্যতে যদি আবার কখনও ভালো সুযোগ পাই তাহলে অভিনয় করব। ঋষভ আমার কাছে সিনেমার প্রস্তাব নিয়ে আসে। চিত্রনাট্য পড়ে প্রথমে একটু টেনশন হয়েছিল। কারণ এখানে আমাকে যে চরিত্রে দেখা যাবে সেটা বাস্তবের উন্মেষ গাঙ্গুলির একেবারে বিপরীতধর্মী। বাঁকুড়া মিমসের ঘোতনকে এর আগে এমন চরিত্রে কেউ দেখেনি। সবচেয়ে বড় বিষয় দর্শক আমাকে কমেডি করতে দেখবে।”
চরিত্রটা কেমন?
আমার চরিত্রের নাম নারায়ণ ঘোষ, ছোট করে বললে নাড়ু। ডিজিটাল ঘটকের ভূমিকায় অভিনয় করেছি। যে মানুষটা আর্থিক সমস্যা, ঋণ, মা-কে টাকা না পাঠানোর যন্ত্রণায় একেবারে জর্জরিত। জীবনে নেই কোনও প্রেম, একেবারে বেরঙিন। ঠিক সেসময় লটারির টিকিট জেতে নাড়ু। এরপর একের পর এক রহস্যসময় ঘটনা ঘটতে শুরু করে। স্বপ্নে-বাস্তবে তাঁর সামনে আবির্ভূত হন দেবী লক্ষ্মী। যার নীরব উপস্থিতি যেন ইঙ্গিত দেয় এই প্রাপ্তির আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে অন্তর্নিহিত এক গভীর এক সত্য।

অভিনয়ের জন্য় একটানা শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। কনটেন্ট বানানোর ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়নি?
ব্যালেন্স করে চলেছি। আসলে এই ছবিতে যাঁরা কাজ করেছেন তাঁরা আমার পূর্বপরিচিত। ওঁরা তো সকলেই জানে আমি আগে একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তারপর অভিনেতা। তাই ওঁরা কখনও আমাকে শর্তসাপেক্ষভাবে সিনেমায় কাজ করতে বাধ্য করেনি। অভিনয়ের সঙ্গে কনটেন্টও বানিয়েছি। সেটা নিয়ে টিম কোনও আপত্তি তোলেনি। তবে অনেক সময় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সিনেমার সাফল্যের স্বার্থে ব্যবহার করা হয়।

সেটা কীরকম?
প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে ইনফ্লুয়েন্সাররা চুক্তিবদ্ধ থাকেন। সিনেমার প্রচার করার দায়িত্বেই তাঁরা নিযুক্ত হন। তার পরিবর্তে একটা চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ করে দওয়া হয়। আমি সেই চিরাচরিত প্রথাটা ভাঙতে চেয়েছিলাম। আশা করি সফল হয়েছি। ‘ভাগ্যলক্ষ্মী বাম্পার’ দর্শক ভালোবাসুক, ভালোভাবে মুক্তি পাক সেটাই এখন একমাত্র কাম্য়। সেই সঙ্গে আগামীতে আরও ভালো চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পাব সেই আশাও রাখছি।

তাহলে ইনফ্লুয়েন্সার না অভিনেতা? প্রথম পছন্দ কে?
অবশ্যই ইনফ্লুয়েন্সার। কনটেন্ট বানানোই আমার পেশা। ওটা ছাড়া কিছু ভাবি না। তবে আজকাল অনেক ক্রিয়েটর অভিনয় দুনিয়ায় আসছে। তাঁরা একসঙ্গে দুদিক সুন্দরভাবে সামলাচ্ছেন। আমিও সেই পথেই হাঁটতে চাই।

আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অবসাদে ভুগে চরম পদক্ষেপ নিতে চেয়ে এআইয়ের দ্বারস্থ সন্তান? মা-বাবাকে জানিয়ে দেবে মেটাই
-
ক্যারিবিয়ান দ্বীপে পাচার তৃণমূলের ‘কালো টাকা’! বিস্ফোরক ঋতব্রত শিবিরের মুখপাত্র প্রসূন
-
ফ্রিজে রেখেও পচছে সবজি, গৃহস্থের কোন ৩ ভুলে নষ্ট হচ্ছে সময়ের আগেই?
-
‘কংগ্রেসের মতোই পতন হবে’, সোনমের পাশে দাঁড়িয়ে মোদিকে আন্নার অনশন মনে করালেন কেজরি
-
বিধবা শাশুড়িকে সিঁদুর পরিয়ে ‘অত্যাচার’, পুত্রবধূর বিরুদ্ধে থানায় নির্যাতিতা