নিজের ‘কমিউনিটি’ নিয়ে ময়দানে নেমে ‘স্যাটাভাঙা মার’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির একমাত্র বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তা নিয়ে কম তর্কবিতর্ক হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় দাঁড়িয়ে পালটা হুমায়ুনকে হুমকি দিয়েছিলেন, এমন মন্তব্য এটাই শেষবার, যা খুশি তাই বলা মোটেই বরদাস্ত করবে না সরকার। আর শুক্রবার হুমায়ুনের গড় রেজিনগরে দাঁড়িয়ে আরও জোরাল অস্ত্রবাণ ছুড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, ‘‘তৃণমূল জমানায় মুর্শিদাবাদ জেলায় শুধু আগুন জ্বলেছে। পিএফআই, সিমিকে ঢোকাবেন, যা খুশি তাই করবেন, যা ইচ্ছে তাই বলবেন – এ জিনিস অতীত। আমি দুর্বল মুখ্যমন্ত্রী নই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো কাপুরুষ নই। আপনি যা খুশি বলবেন আর আমি শুনে যাব, এটা হবে না আমার আমলে। সংবিধান মেনে যা বলার বলবেন।”
আরও পড়ুন:
হুমায়ুনের নাম না করে তিনি বলেন, ‘‘এখানে যিনি জিতেছেন, পদত্যাগও করেছেন দুটি আসনে জিতেছেন বলে, তাঁকে আমি বলতে চাই, আপনার কথাকে সংবিধান স্বীকৃতি দেয় না। আপনি বলেছেন, যত ইচ্ছে জেলে ভরুন, মুর্শিদাবাদের জেলগুলিতে অনেক জায়গা আছে। একথা কীভাবে বলছেন? যা খুশি বলে যাবেন, তা হবে না আমার আমলে।”
এর আগে রেজিনগরের একটি জনসভা থেকে হুমায়ুন কবীরের হুঁশিয়ারি ছিল, ‘‘রেজিনগরে বিজেপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমার কমিউনিটির ভাইদের নিয়ে এমন স্যাটাভাঙা মার দেব যে পতাকা বওয়ার লোক থাকবে না। তখনও আমি চিফ মিনিস্টারও বুঝব না, এসপিও বুঝব না।” এর পালটা দিতে গিয়েই শুক্রবার হুমায়ুন গড়ে দাঁড়িয়েই পালটা চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মুখ্যমন্ত্রী। হুমায়ুনের নাম না করে তিনি বলেন, ‘‘এখানে যিনি জিতেছেন, পদত্যাগও করেছেন দুটি আসনে জিতেছেন বলে, তাঁকে আমি বলতে চাই, আপনার কথাকে সংবিধান স্বীকৃতি দেয় না। আপনি বলেছেন, যত ইচ্ছে জেলে ভরুন, মুর্শিদাবাদের জেলগুলিতে অনেক জায়গা আছে। একথা কীভাবে বলছেন? যা খুশি বলে যাবেন, তা হবে না আমার আমলে।”
হুমায়ুনের মতো সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক মন্তব্য করে দোষী সাব্যস্ত হলে এবার থেকে কড়া শাস্তি মিলবে। এর নেপথ্যে রয়েছে নতুন গুন্ডাদমন আইন। গত ২৯ জুন, রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয় ‘পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল, ২০২৬’। যা সংক্ষেপে ‘গুন্ডাদমন বিল’ নামে পরিচিত। বিলের খসড়ায় বলা হয়েছে, কমিশন চাইলে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণের চেয়েও দ্বিগুণ ‘দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণ’ বা জরিমানা চাপাতে পারে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সোমবার অর্থাৎ ১৩ জুলাই থেকে আইনটি লাগু হবে। আর তা কার্যকর হলে হুমায়ুনদের বাক-সংযমের কথা মনে করালেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
চন্দ্রিমার ইস্তফায় কালীঘাট শিবিরের রাজ্য সভাপতি হন মমতা নিজেই, পালটা নাম ঘোষণা ঋতপন্থী তৃণমূলের
-
গোপনে কোহলির উপর নজরদারি! বিলেতে কারা অনুসরণ করছেন ‘কিং’কে? দুশ্চিন্তায় আরসিবি সতীর্থও
-
‘ডিমথেরাপির’ ভয়ে বাড়িতেই? তৃণমূল বিধায়কের নামে ‘নিখোঁজ’ পোস্টার! চাঞ্চল্য দক্ষিণ হাওড়ায়
-
মেসিদের ম্যাচে রোনাল্ডোর দেশের রেফারি, কার্ড দেখাতে পছন্দ করেন পিনেইরো
-
ফের বৈঠক চাইছে ইরান! যুদ্ধবিরতিকে পাশ কাটিয়ে ট্রাম্প বললেন, ‘আলোচনায় প্রস্তুত আমেরিকা’