হরমুজকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য। খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের মাঝেই তেহরান হয় ইরানের নানা প্রান্তে চলছে হামলা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনের মাঝেই এবার চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানালেন, নতুন করে শান্তি বৈঠকে বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। আমেরিকাও আলোচনার টেবিলে বসতে সম্মত হয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ‘দুই দেশের মধ্যে গত মাসে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল তা বাতিল হয়েছে।’
নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ট্রুথে বুধবার এক বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেখানে দুই দেশের সংঘর্ষের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘ইরান আমাদের কাছে আবেদন জানিয়েছে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য। আমরা তাদের প্রস্তাবে সম্মত। কিন্তু আমেরিকা ওদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চায়, দুই দেশের মধ্যে গতমাসে যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল তা শেষ হয়েছে। এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ।’ এই বার্তার শেষে স্বাক্ষরও করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
আরও পড়ুন:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ‘দুই দেশের মধ্যে গত মাসে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল তা বাতিল হয়েছে।’
ট্রাম্পের এই বার্তা এমন সময়ে এল যখন যখন নতুন করে যুদ্ধে মেতেছে আমেরিকা ও ইরান। যার গুরুতর প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৭৮ ডলার, ইউরোপের শেয়ারবাজারে পতন ঘটেছে, ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। সূত্রের খবর, পরিস্থতি গুরুতর আকার নেওয়ার আগেই নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলি। কাতার ও পাকিস্তান ফের দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসতে তৎপর হয়ে উঠেছে। মনে করা হচ্ছে, সেখান থেকেই তেহরানের অনুমতি নিয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল ওয়াশিংটনে। যার পালটা এবার ট্রাম্প জানিয়ে দিলেন, আমেরিকা আলোচনায় রাজি কিন্তু যুদ্ধবিরতির আর কোনও অস্তিত্ব নেই।
উল্লেখ্য, শান্তিচুক্তি ভেঙে হরমুজ প্রণালীতে ৩টি জাহাজে নতুন করে হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। এর জেরেই ক্ষুব্ধ আমেরিকা ধারাবাহিক আক্রমণ শুরু করে ইরানে। সেখানকার সিরিক, কেশম, বন্দর আব্বাসের মতো এলাকায় হামলা চালায় মার্কিন সেনা। ওয়াশিংটনের দাবি, তারা ইরানের প্রায় ৮০টি স্থানে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করে তেহরান। আইআরজিসি-র দাবি, কুয়েত এবং বাহিরিনে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলিতে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তারা। নিশানা করা হয় মোট ৮৫টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
চলবে সেতু রক্ষণাবেক্ষণের কাজ, ফের ১৬ ঘণ্টা বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, জেনে নিন বিকল্প পথ
-
বিশ্বকাপে সাফল্যের স্বীকৃতি! এবার ‘ম্যাজিশিয়ান’ ভোজিনহার নামে নতুন প্রাণীর নামকরণ
-
ডায়ালিসিস কাণ্ড থেকে ‘শাস্তিমূলক বদলি’! পালাবদলের বাংলায় কলকাতায় ফিরলেন একঝাঁক চিকিৎসক
-
নারীপাচারে বড় সাফল্য পুলিশের! ৭ দিনের মধ্যে রাজস্থান থেকে উদ্ধার মালবাজারের কিশোরী
-
জগন্নাথদেবের প্রিয় মিষ্টি এবার আপনার হেঁশেলে, রথের আগেই শিখে নিন সেরা ৩ রেসিপি