Debra

রাস্তার হাল ‘বেহাল’, সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছতে না পারায় ডেবরায় মৃত্যু শিশুর!

মাস দুয়েক আগে একই কারণে এলাকার জামাইয়ের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২৫, ১৯:১৩

options
link
রাস্তার হাল ‘বেহাল’, সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছতে না পারায় ডেবরায় মৃত্যু শিশুর!
বেঁধে রাখা হয়েছে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যকে।

অংশুপ্রতিম পাল, খড়গপুর: রাস্তার অবস্থা বেহাল। অ্যাম্বুল্যান্স, মোটর সাইকেল ঢোকা দূর। বৃষ্টিতে হাটাচলা করাই দুষ্কর। অভিযোগ, রাস্তা খারাপ হওয়ায় ঠিক সময় মতো হাসপাতালে নিয়ে যেতে না পারায় মৃত্যু হল দুই বছরের শিশুর। ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যকে আটকে রাখলেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায়। বিকেলে গ্রামে পৌঁছিয়েছে পুলিশ। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা এলাকায়।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোররাত নাগাদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বছর দুয়েকের সুস্মিতা মুর্মু। সে ডেবরা ব্লকের ৯ নম্বর ষাঁড়পুর লোয়াদা গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁকড়া মোহনপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাড়ি থেকে ১ কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা বেহাল। ভোরের দিকে ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এলাকায়। গ্রামবাসী ও পরিবার অভিযোগ,  রাস্তার হাল বেহাল হওয়ায় সময় মতো শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায়নি। তাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় যান স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বিজেপির অভিজিৎ সিং। তাঁকে গাছে বেঁধে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের দাবি রাস্তা সংস্কার করতে হবে। কেন এই রাস্তার অবস্থা এত খারাপ? এই বিষয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান পিংঙ্কুসোনা পণ্ডা জানান, “প্রচণ্ড বৃষ্টিতে রাস্তায় মোরাম করা যায়নি। দ্রুত সেই ব্যবস্থা করা হবে।” তবে হাসপাতাল ও বিডিওর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিশুটিকে হাসপাতালে আনার অনেক আগেই সে মার গিয়েছে।

Advertisement

এদিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আটকে রাখা হয়েছে পঞ্চায়েত সদস্যকে। গ্রামবাসীদের দাবি, পঞ্চায়েত প্রধান আসলে তবেই ছাড়া হবে সদস্যকে। পঞ্চায়েত প্রধানের যাওয়ার কথা থাকলেও তাঁর শরীর আচমকা খারাপ হওয়ায় তিনি সেখানে যাচ্ছেন বলেই খবর। তা শুনে আরও রেগে যান গ্রামবাসীরা। এদিকে বিডিও প্রিয়ব্রতবাবু জানিয়েছেন, “দুঃখজনক ঘটনা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই শিশুটি মারা গিয়েছিল। পঞ্চায়েত সদস্যকে উদ্ধার করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”

উল্লেখ্য, জামাইষষ্ঠীর সময় এলাকার এক জামাই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। সে বারও অভিযোগ ওঠে রাস্তা খারাপ থাকায় তাঁকে ঠিক সময়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যায়নি। কয়েক মাসের ব্যবধানে আরও একটি প্রাণ যাওয়ায় পঞ্চায়েতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.