Khargapur

আবাসের বাড়ি তৈরিতে এক লক্ষ টাকা দাবি! কাঠগড়ায় খড়্গপুরের তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৫, ২০:৪৯

options
link
আবাসের বাড়ি তৈরিতে এক লক্ষ টাকা দাবি! কাঠগড়ায় খড়্গপুরের তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী
কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া বাড়িতে ইতু গোপ। নিজস্ব চিত্র

অংশুপ্রতিম পাল, খড়্গপুর: আবাস প্রকল্পে বাড়ি তৈরির জন্য এক উপভোক্তার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছে। এমনই অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর পুরসভায় ১ ওয়ার্ডে। বিষয়টি  প্রকাশ্যে আসায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Advertisement

এই ওয়ার্ডের তৃণমূলের কাউন্সিলর জয়ন্তী সিং, তাঁর স্বামী সুশান্ত সিং। এই ওয়ার্ডের সারদাপল্লি এলাকার বাসিন্দা বলাই গোপ একটি গ্যারেজে কাজ করেন। তাঁর স্ত্রী ইতু গোপ বিভিন্ন বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। তাঁর নামেই এই প্রকল্পে বাড়ির অনুমোদন হয়েছিল। বাড়ির কাজও হয়ে গিয়েছে অনেকটাই। কিন্তু অভিযোগ, কাউন্সিলরের স্বামী ও তাঁর সাগরেদ এক ঠিকাদার বাড়িটি সম্পূর্ণ করে দেওয়ার জন্য এক লক্ষ টাকা দাবি করেন। এই বিষয়ে খড়্গপুরের মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগও করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইতু গোপ বলেন, “গত বছরের নভেম্বর মাস থেকে বাড়ি শুরু হয়েছে। লিন্টন পর্যন্ত হয়ে কাজ বন্ধ। বাড়ির কাজ শেষ করতে বললে কাউন্সিলরের স্বামী ও তাঁর সাগরেদ ঠিকাদার অতিরিক্ত এক লক্ষ টাকা দাবি করেন। কোনও কথাই শোনা হয়নি। তারপরেই আমি খড়্গপুর মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ করি। পরে পুরপ্রধানের কাছে অভিযোগ করি।” কোথাও অভিযোগ জানালেও কিছু হবে না। সেই হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় ওই পরিবারকে ভাড়াবাড়িতেই থাকতে হচ্ছে।

Advertisement

যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাউন্সিলর জয়ন্তী সিং। তিনি বলেন, “এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। এটা হয়তো আমাদের মধ্যে কেউ মহিলাকে ভুল বুঝিয়ে করাচ্ছেন। বাড়ির লিন্টন পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে। টাকা এসেছে। এবারে বাকি কাজ শুরু হবে। পুরপ্রধানের সঙ্গেও এই ব্যাপারে কথা হয়েছে।” কাউন্সিলরের স্বামী সুশান্ত সিং বলেন, “কোনও অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়নি। যা বলা হচ্ছে পুরোটাই ভিত্তিহীন।” তৃণমূলের সভাপতি শ্যামল রায় বলেন, “আমার কাছে মহিলা এসেছিলেন। আমি পরামর্শ দিয়েছিলাম মহকুমাশাসক ও পুরসভায় অভিযোগ দায়ের করতে।” পুরপ্রধান কল্যাণী ঘোষ বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর কাউন্সিলরের স্বামীকে ডেকেছিলাম। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে কাজ শুরু করতে বলেছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.